মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপি নেতারা
মৌলভীবাজার থেকে গাড়িবহর নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে এনসিপি নেতারা সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। এর আগে বুধবার এনসিপি নেতারা দিনভর হবিগঞ্জ যেতে চাইলে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। পরে সেখান থেকে মামলা করতে চাইলে বাহুবলের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে মামলা করেন। পরে রাতে সেখান থেকে ফিরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে এনসিপি নেতারা রাত্রিযাপন করেন। মৌলভীবাজার ছাড়ার সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আহত ও শহীদ ভাইদের বিচার চেয়েছি। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য। এই কর্মসূচিগুলো নিয়ে আমরা জুলাই মাসে দেশব্যাপী পদযাত্রা করছি। জনগণ গণভোটে ৭০ শতাংশ ভোট দিয়েছে যাতে আমরা সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারি। আমাদের সেই পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলায় এই কর্মসূচি ছিল। আমরা প্রোগ্রাম শেষ করে যখন বের হলাম তখন আমাদের মিডিয়া টিমের উপর হামলা করা হলো দফায় দফায়। ড্রাইভারকে তারা বেধড়ক প্রহার করেছে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নেই। ইন্টার পড়ুয়া একটা ছেলের চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে। জ
মৌলভীবাজার থেকে গাড়িবহর নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে এনসিপি নেতারা সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। এর আগে বুধবার এনসিপি নেতারা দিনভর হবিগঞ্জ যেতে চাইলে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। পরে সেখান থেকে মামলা করতে চাইলে বাহুবলের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে মামলা করেন।
পরে রাতে সেখান থেকে ফিরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে এনসিপি নেতারা রাত্রিযাপন করেন।
মৌলভীবাজার ছাড়ার সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আহত ও শহীদ ভাইদের বিচার চেয়েছি। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য। এই কর্মসূচিগুলো নিয়ে আমরা জুলাই মাসে দেশব্যাপী পদযাত্রা করছি। জনগণ গণভোটে ৭০ শতাংশ ভোট দিয়েছে যাতে আমরা সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারি। আমাদের সেই পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলায় এই কর্মসূচি ছিল। আমরা প্রোগ্রাম শেষ করে যখন বের হলাম তখন আমাদের মিডিয়া টিমের উপর হামলা করা হলো দফায় দফায়। ড্রাইভারকে তারা বেধড়ক প্রহার করেছে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নেই। ইন্টার পড়ুয়া একটা ছেলের চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে। জেলা সদস্য সচিবের হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমরা এই ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে একটা বিক্ষোভ কর্মসূচি ডাকি। সেখানে পুলিশ পদে পদে আমাদের বাধা দিয়েছে। প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
তিনি বলেন, ট্রাক দিয়ে আমাদের গাড়ি বহর আটকে দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের মধ্যখানে পুলিশ আমাদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছে। সেখানে হবিগঞ্জের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে আমরা গিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দিয়েছি। আমাদের ২০ লাখ টাকার জিনিস তারা নিয়ে নেয়। এছাড়া নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়। একটি গাড়ি ভাঙচুরের কারণে সেটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী আরও বলেন, আমরা দীর্ঘ সময় পর একটি ফ্যাসিবাদী বাংলাদেশ থেকে উত্তরণের পর নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি তখন এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা, আমাদের উপর অত্যাচার, চোখ কেড়ে নেওয়া ও মালামাল ছিনিয়ে নেওয়া এগুলো দেশবাসী প্রত্যক্ষ করল। আমরা এখনো চাই একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ। যেখানে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হবে।
এনসিপির গাড়ি বহরে রয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ, ডা. মাহমুদা মিতু, এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সার্জিস আলমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
What's Your Reaction?