ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ছয় তলার শিশু ওয়ার্ডের সাব স্টোরে (মেট্রেস স্টোর) আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, আগুনে সাব স্টোরের সকল মালামাল ও মেট্রেস পুড়ে যায়। এদিকে আগুন লাগার খবরে এবং সাব স্টোরে মেট্রেস থাকায় আগুনের প্রচন্ড ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় বিভিন্ন ওয়ার্ড। এ সময় বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে রোগী ও স্বজনরা দিগ্‌বিদিক ছুটোছুটি করে সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে আসে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো হাসপাতালজুড়ে। প্রত্যক্ষদর্শী শিশু ওয়ার্ডের রোগী ও স্বজনরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ ওয়ার্ডটি কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এরপর সবাই দিগ্বিদিগ ও হুড়োহুড়ি করে সিঁড়ি বেঁয়ে রাস্তায় নেমে আসি। তারা জানায়, যে কক্ষটিতে আগুন লাগে সেখানে অতিরিক্ত বিছানা, বেডশিট ও অন্যান্য সরঞ্জাম ছিল। আগুনে ওই কক্ষের সবকিছু পুড়ে যায়।  হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার বলেন, ৬ তলার শিশু ওয়ার্ডের সঙ্গে একটি সাব স্টোর রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত মেট্রেস ও বেডশিট থাকে। সেটির দরজাও বন্ধ থাকে। কিন্তু

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ছয় তলার শিশু ওয়ার্ডের সাব স্টোরে (মেট্রেস স্টোর) আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ আগুনের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আগুনে সাব স্টোরের সকল মালামাল ও মেট্রেস পুড়ে যায়। এদিকে আগুন লাগার খবরে এবং সাব স্টোরে মেট্রেস থাকায় আগুনের প্রচন্ড ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় বিভিন্ন ওয়ার্ড। এ সময় বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে রোগী ও স্বজনরা দিগ্‌বিদিক ছুটোছুটি করে সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে আসে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো হাসপাতালজুড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী শিশু ওয়ার্ডের রোগী ও স্বজনরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ ওয়ার্ডটি কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এরপর সবাই দিগ্বিদিগ ও হুড়োহুড়ি করে সিঁড়ি বেঁয়ে রাস্তায় নেমে আসি। তারা জানায়, যে কক্ষটিতে আগুন লাগে সেখানে অতিরিক্ত বিছানা, বেডশিট ও অন্যান্য সরঞ্জাম ছিল। আগুনে ওই কক্ষের সবকিছু পুড়ে যায়। 

হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার বলেন, ৬ তলার শিশু ওয়ার্ডের সঙ্গে একটি সাব স্টোর রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত মেট্রেস ও বেডশিট থাকে। সেটির দরজাও বন্ধ থাকে। কিন্তু সেখানে আগুন লাগার কোনো সুযোগ নেই। 

তিনি আরও বলেন, পাশে একটি বাথরুম রয়েছে। সেখানে রোগীর স্বজনরা বিড়ি-সিগারেটের আগুন অসাবধানতাবশত ফেলতে পারে।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন বলেন, বিকেল ৫টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। এতে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ করে। তবে আগুন লাগার কারণ তদন্তের আগে বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার সময় নতুন ভবনের ছয়তলার শিশু ওয়ার্ডের স্টোর থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। ওয়ার্ডের লোকজন আগুন লেগেছে দেখে কর্তৃপক্ষকে জানালে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে বিকেল সাড়ে ৫টার সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও বলেন, আতঙ্কে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে রোগীরা বের হয়ে নিচে চলে যায়। তবে কোনো রোগী কিংবা স্বজনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুনে পুড়ে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিষয়টি এখনো জানা সম্ভব হয়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow