যশোর রেলওয়ে জংশন সংস্কার-উন্নয়নের দাবি
যশোর থেকে ঢাকাগামী প্রভাতী ট্রেন চালুসহ যশোর রেলওয়ে জংশন সংস্কার ও উন্নয়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রেলওয়ে মহাপরিচালক বরাবর দেওয়া এই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন যশোর রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান। রোববার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বৃহত্তর যশোর রেলযোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ এই স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, বৃহত্তর যশোর রেলযোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি দীর্ঘদিন ধরে যশোর থেকে ঢাকাগামী প্রভাতী ট্রেনসহ পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সেই দাবির পাশাপাশি রেলওয়ের আরও কিছু সমস্যা-সংকট কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে যশোর জংশনের যাত্রী বিশ্রামাগার ও দ্বিতীয় প্লাটফর্মের সমস্যা। নেতৃবৃন্দ জানান, যশোরসহ এই এলাকার মানুষের রেল যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন যশোর জংশন। এখান থেকে রাজধানী ঢাকাসহ উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ট্রেন চলাচল করে। এছাড়াও বেনাপোল ও কলকাতা থেকে বিদেশি যাত্রীদের ঢাকা চলাচলেরও মাধ্যম যশোর জংশন। কিন্ত দুঃখের বিষয়, যশোর জংশনের যাত্রী বিশ্রামাগার ও পার্কিং এরিয়ার অবস্থা খুবই নাজুক। আরও পড়ুন ঢাকাগামী প্রভাতী ট্রেন চালুসহ ৬ দাবি
যশোর থেকে ঢাকাগামী প্রভাতী ট্রেন চালুসহ যশোর রেলওয়ে জংশন সংস্কার ও উন্নয়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রেলওয়ে মহাপরিচালক বরাবর দেওয়া এই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন যশোর রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান।
রোববার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বৃহত্তর যশোর রেলযোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বৃহত্তর যশোর রেলযোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি দীর্ঘদিন ধরে যশোর থেকে ঢাকাগামী প্রভাতী ট্রেনসহ পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সেই দাবির পাশাপাশি রেলওয়ের আরও কিছু সমস্যা-সংকট কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে যশোর জংশনের যাত্রী বিশ্রামাগার ও দ্বিতীয় প্লাটফর্মের সমস্যা।
নেতৃবৃন্দ জানান, যশোরসহ এই এলাকার মানুষের রেল যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন যশোর জংশন। এখান থেকে রাজধানী ঢাকাসহ উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ট্রেন চলাচল করে। এছাড়াও বেনাপোল ও কলকাতা থেকে বিদেশি যাত্রীদের ঢাকা চলাচলেরও মাধ্যম যশোর জংশন। কিন্ত দুঃখের বিষয়, যশোর জংশনের যাত্রী বিশ্রামাগার ও পার্কিং এরিয়ার অবস্থা খুবই নাজুক।
এছাড়া দুই নম্বর প্লাটফর্মে ছোট্ট একটি ছাউনি থাকায় রোদ-বৃষ্টিতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এ জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাত্রী বিশ্রামাগার এবং পার্কিং এরিয়ার আধুনিকায়ন এবং দুই নম্বর প্লাটফর্মে পরিপূর্ণ ছাউনির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
স্মারকলিপি গ্রহণ করে যশোর রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান বলেন, তিনি যথাযথ মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপিটি প্রেরণ করবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক জাতীয় হকি কোচ কাওসার আলী, সদস্য সচিব প্রকৌশলী রুহুল আমিন, কমিটির নেতা হাচিনুর রহমান, হারুন অর রশিদ, হাবিবুর রহমান মিলন, মোস্তাফিজুর রহমান কবির প্রমুখ।
মিলন রহমান/এসজেডএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?
