যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিলো তারা আমাদের গুপ্ত বলছে : জামায়াত আমির
যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিলেন তারা আজ জামায়াতকে গুপ্ত বলছেন, বিষয়টি লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর কলাবাগান সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, দেশের আকাশে কিছু কালো চিল ঘোরাফেরা করছে। তারা জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার এই নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়। এ সময় তিনি নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, যদি কেউ ভোট বানচালের চেষ্টা করে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। তিনি আরও বলেন, অতীতের কথা বাদই দিলাম। অতীতে কে কী করেছে– তা নিয়ে অনেকে গুপ্ত, সুপ্তসহ আরও কত কিছু-যে বলে, তার কোনো সীমা নেই। যারা নিজেরাই বছরের পর বছর গুপ্ত হয়ে ছিলেন, তারাই আজ মজলুমদের নিয়ে এসব বলছেন। অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের দিকে তাকালে সেটাই ভালো হবে। অন্যের চেহারা না দেখে নিজের চেহারা দেখুন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা যেদিকে এগোতে চাই, কোনো কোনো দল সামনে গিয়ে বাধা দেয়। জুলাই সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে আমাদের দাবি ছিল, আ
যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিলেন তারা আজ জামায়াতকে গুপ্ত বলছেন, বিষয়টি লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর কলাবাগান সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, দেশের আকাশে কিছু কালো চিল ঘোরাফেরা করছে। তারা জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার এই নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়। এ সময় তিনি নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, যদি কেউ ভোট বানচালের চেষ্টা করে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতের কথা বাদই দিলাম। অতীতে কে কী করেছে– তা নিয়ে অনেকে গুপ্ত, সুপ্তসহ আরও কত কিছু-যে বলে, তার কোনো সীমা নেই। যারা নিজেরাই বছরের পর বছর গুপ্ত হয়ে ছিলেন, তারাই আজ মজলুমদের নিয়ে এসব বলছেন। অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের দিকে তাকালে সেটাই ভালো হবে। অন্যের চেহারা না দেখে নিজের চেহারা দেখুন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা যেদিকে এগোতে চাই, কোনো কোনো দল সামনে গিয়ে বাধা দেয়। জুলাই সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে আমাদের দাবি ছিল, আগে গণভোট হোক, তাহলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুন্দর হবে। কিন্তু প্রথমে বিরোধিতা করে ধাক্কা খেয়ে এখন তারা বলছে, গণভোট মানি না। আসলে এ হলো ঠেলার নাম বাবাজি।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, জুলাই না হলে কিসের আবার ২৬ সালের নির্বাচন? জুলাই না হলে তো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ফ্যাসিবাদীদের অধীনে ২৯ সালে। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণ না করে নির্বাচন চাওয়া হতে পারে না।
দলীয় ইশতেহারের আভাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ইনশাআল্লাহ এই বাংলাদেশকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও ব্যাংক ডাকাতমুক্ত করা হবে। আমরা যুব সমাজকে অপমানজনক বেকার ভাতা নয়, বরং তাদের হাতের তালুতে সম্মানের রুজি তুলে দিতে চাই।
What's Your Reaction?