যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির খবরে কমেছে তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছানোর ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও বাজারে স্বস্তি ফিরিয়েছে। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৫৮ ডলার বা ৪ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৮৩ দশমিক ৭৫ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৮৭ ডলারে দাঁড়ায়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি আবারও উন্মুক্ত করা হবে এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের কারণে তেলের বাজারে যে অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল, চুক্তির সম্ভাবনায় তা দ্রুত কমতে শুরু করেছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির খবরে কমেছে তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছানোর ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও বাজারে স্বস্তি ফিরিয়েছে।

সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৫৮ ডলার বা ৪ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৮৩ দশমিক ৭৫ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৮৭ ডলারে দাঁড়ায়।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি আবারও উন্মুক্ত করা হবে এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের কারণে তেলের বাজারে যে অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল, চুক্তির সম্ভাবনায় তা দ্রুত কমতে শুরু করেছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন।

বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। গত তিন মাসের বেশি সময় ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অচলাবস্থা থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম আরও কতটা কমবে তা নির্ভর করবে মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদনকারী দেশগুলো কত দ্রুত উৎপাদন ও রপ্তানি স্বাভাবিক করতে পারে এবং আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা কতটা এগোয় তার ওপর।

এদিকে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি জানিয়েছে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে তারা দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে প্রস্তুত।

সূত্র : রয়টার্স
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow