যুক্তরাষ্ট্রে ৫০ শতাংশ বাড়ল গ্যাসোলিনের দাম
ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটিতে এক গ্যালন নিয়মিত গ্যাসোলিনের গড় মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪৮ ডলার, যা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
মার্কিন অটোমোবাইল সংস্থা এএএ-এর তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহেই প্রতি গ্যালনে ৩১ সেন্ট দাম বেড়েছে। খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এই প্রণালি দিয়ে সাধারণত বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।
ফলে তেলের দাম বাড়তে থাকায় তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে গ্যাসোলিনের দামে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
তবে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সংঘাত কিছুটা কমার ইঙ্গিত মিললে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে জ্বালানির দাম কমছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বাজার।
ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটিতে এক গ্যালন নিয়মিত গ্যাসোলিনের গড় মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪৮ ডলার, যা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
মার্কিন অটোমোবাইল সংস্থা এএএ-এর তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহেই প্রতি গ্যালনে ৩১ সেন্ট দাম বেড়েছে। খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এই প্রণালি দিয়ে সাধারণত বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।
ফলে তেলের দাম বাড়তে থাকায় তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে গ্যাসোলিনের দামে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
তবে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সংঘাত কিছুটা কমার ইঙ্গিত মিললে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে জ্বালানির দাম কমছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বাজার।