যুক্তরাষ্ট্রের কবজায় থাকা জাহাজে সম্পদের বিবরণ দিল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা জাহাজে সম্পদের বিবরণ দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কবজায় থাকা জাহাজে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধভাবে জাহাজ জব্দ’ করার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল ইরানের সব বন্দরে অবরোধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তুসকা নামের ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজটিকে দখল করে।
এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে ইরান জানিয়েছে, জাহাজটিতে গুরুত্বপূর্ণ ডায়ালাইসিস সামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল। এই জব্দ করাকে তারা ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই জবরদস্তিমূলক ও বেআইনি পদক্ষেপ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে, নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করছে এবং দুর্বল রোগীদের মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
এদিকে অবরোধের মধ্যে চলাচল করা ইরানি জাহাজ নিয়ে মার্কিন দাবি প্রত্যাখান করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, মার্কিন অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার
যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা জাহাজে সম্পদের বিবরণ দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কবজায় থাকা জাহাজে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধভাবে জাহাজ জব্দ’ করার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল ইরানের সব বন্দরে অবরোধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তুসকা নামের ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজটিকে দখল করে।
এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে ইরান জানিয়েছে, জাহাজটিতে গুরুত্বপূর্ণ ডায়ালাইসিস সামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল। এই জব্দ করাকে তারা ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই জবরদস্তিমূলক ও বেআইনি পদক্ষেপ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে, নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করছে এবং দুর্বল রোগীদের মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
এদিকে অবরোধের মধ্যে চলাচল করা ইরানি জাহাজ নিয়ে মার্কিন দাবি প্রত্যাখান করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, মার্কিন অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সামরিক বাহিনী যে ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজটি আটক করেছে, সেটি ‘চীনের পক্ষ থেকে দেওয়া উপহার’ বহন করছিল। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় তারা জাহাজটিতে গুলি চালিয়ে সেটি দখল করে।
মঙ্গলবার সিএনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, জাহাজটিতে“কিছু জিনিস ছিল, যা খুব একটা ভালো নয়। হয়তো চীনের উপহার। তবে আমি নিশ্চিত নই।
এদিকে এ ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়ছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জাহাজটি চীন থেকে আসছিল। তারা এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সশস্ত্র জলদস্যুতা বলে আখ্যা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিও জিয়াকুন বলেন, যে কোনো অভিযোগ বা সংযোগ যদি বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে না হয়, চীন তার বিরোধিতা করে। এই অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।
তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্বাভাবিক বাণিজ্য কার্যক্রম অব্যাহত থাকা উচিত। এগুলো কোনো ধরনের বাধা বা বিঘ্নের শিকার হওয়া উচিত নয়।