যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় বড় লাভবান হবে আইআরজিসি

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি)-এর বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা  শিথিল বা তুলে নেওয়া হলে বড় ধরনের লাভবান হবে এমনটাই জানিয়েছে একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ভেতরে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এই নেটওয়ার্কের মধ্যে রয়েছে তেল, নির্মাণ, টেলিযোগাযোগ, লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাত। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে বহু বছর ধরে ইরানের অর্থনীতি চাপের মধ্যে থাকলেও, এই সময়ে আইআরজিসি নিজেদের ব্যবসায়িক প্রভাব আরও বিস্তৃত করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে, তাহলে দেশটির তেল রপ্তানি বাড়বে এবং বিদেশি বিনিয়োগও ফিরতে পারে। তবে এই সুযোগ সবচেয়ে বেশি কাজে লাগাবে আইআরজিসি-সম্পর্কিত কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানগুলো, কারণ ইরানের অনেক বড় ব্যবসা ও প্রকল্প তাদের নিয়ন্ত্রণে বা তাদের সঙ্গে যুক্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের আইন অনুযায়ী বিদেশি কোম্পানিগুলোকে স্থানীয় অংশীদারের সঙ্গে কাজ করতে হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে এই অংশীদাররা IRGC-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় বড় লাভবান হবে আইআরজিসি

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি)-এর বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা  শিথিল বা তুলে নেওয়া হলে বড় ধরনের লাভবান হবে এমনটাই জানিয়েছে একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ভেতরে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এই নেটওয়ার্কের মধ্যে রয়েছে তেল, নির্মাণ, টেলিযোগাযোগ, লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাত। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে বহু বছর ধরে ইরানের অর্থনীতি চাপের মধ্যে থাকলেও, এই সময়ে আইআরজিসি নিজেদের ব্যবসায়িক প্রভাব আরও বিস্তৃত করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে, তাহলে দেশটির তেল রপ্তানি বাড়বে এবং বিদেশি বিনিয়োগও ফিরতে পারে। তবে এই সুযোগ সবচেয়ে বেশি কাজে লাগাবে আইআরজিসি-সম্পর্কিত কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানগুলো, কারণ ইরানের অনেক বড় ব্যবসা ও প্রকল্প তাদের নিয়ন্ত্রণে বা তাদের সঙ্গে যুক্ত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের আইন অনুযায়ী বিদেশি কোম্পানিগুলোকে স্থানীয় অংশীদারের সঙ্গে কাজ করতে হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে এই অংশীদাররা IRGC-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো আইনগত জটিলতায়ও পড়তে পারে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে আইআরজিসি শুধু অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালীই হবে না, বরং ইরানের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে তাদের নিয়ন্ত্রণও আরও বাড়তে পারে।

সংক্ষেপে, নিষেধাজ্ঞা কমে গেলে ইরানের সাধারণ অর্থনীতি কিছুটা স্বস্তি পেলেও সবচেয়ে বড় লাভবান হবে দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর সামরিক-অর্থনৈতিক গোষ্ঠী আইআরজিসি

সুত্রঃ রয়টার্স 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow