যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি ছাত্র জোটের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি বাতিলের দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট। কর্মসূচি অনুযায়ী, চুক্তি বাতিলের দাবিতে আগামী ১১ মে বেলা সাড়ে ১১টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনটি জানায়, এর আগে সপ্তাহব্যাপী প্রচারপত্র বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হবে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ চুক্তি সই করে অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তি দেশের কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। তিনি অভিযোগ করেন, এ চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একতরফা সুবিধা ও কর্তৃত্ব নিশ্চিত করেছে এবং বাংলাদেশকে বিভিন্ন অসম শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ চুক্তির ফলে স্থানীয় পোল্ট্রি,
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি বাতিলের দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।
কর্মসূচি অনুযায়ী, চুক্তি বাতিলের দাবিতে আগামী ১১ মে বেলা সাড়ে ১১টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনটি জানায়, এর আগে সপ্তাহব্যাপী প্রচারপত্র বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ চুক্তি সই করে অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তি দেশের কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। তিনি অভিযোগ করেন, এ চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একতরফা সুবিধা ও কর্তৃত্ব নিশ্চিত করেছে এবং বাংলাদেশকে বিভিন্ন অসম শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ চুক্তির ফলে স্থানীয় পোল্ট্রি, ডেইরি, ওষুধ ও শিল্পখাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যয়বহুল পণ্য আমদানি এবং সামরিক সরঞ্জাম কিনতে বাধ্য করা হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক শর্ত মানতে হবে, যা দেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যেমন বিভিন্ন দেশবিরোধী চুক্তি হয়েছিল, তেমনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে একই ধারাবাহিকতায় এগোচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার এ চুক্তি বাতিলের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি তামজিদ হায়দার চৌধুরী, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি নাঈম উদ্দীন এবং বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সমর চাকমা।
এফএআর/এমএএইচ/
What's Your Reaction?