যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরান নির্ধারণ করবে: তেহরান

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন, যুদ্ধ কিংবা শান্তির সময় কখন হবে সেটি নির্ধারণের অধিকার যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া হবে না, বরং তা ইরান নির্ধারণ করবে। জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় যতদিন প্রয়োজন, ততদিন আত্মরক্ষা অব্যাহত রাখবে ইরান। সোমবার (২৭ জুলাই) তেহরানে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর আল জাজিরার। সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে বাঘায়ি বলেন, তারা কীভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করবে, আমি জানি না। যে যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা, সেই যুদ্ধে পাঁচ মাস পরও তারা নিজেরাই গভীর সংকটে আটকে আছে।  তিনি বলেন, জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থাকে সঙ্গে নিয়ে যে পরিস্থিতি তারা নিজেরাই সৃষ্টি করেছে, এখন সেই সংকট থেকেই বের হতে পারছে না।  বাঘায়ি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের জাতীয় স্বার্থ। একটি দেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া বহু অজানা সমীকরণ নয়। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ, আর এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নি

যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরান নির্ধারণ করবে: তেহরান

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন, যুদ্ধ কিংবা শান্তির সময় কখন হবে সেটি নির্ধারণের অধিকার যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া হবে না, বরং তা ইরান নির্ধারণ করবে। জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় যতদিন প্রয়োজন, ততদিন আত্মরক্ষা অব্যাহত রাখবে ইরান। সোমবার (২৭ জুলাই) তেহরানে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর আল জাজিরার।

সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে বাঘায়ি বলেন, তারা কীভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করবে, আমি জানি না। যে যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা, সেই যুদ্ধে পাঁচ মাস পরও তারা নিজেরাই গভীর সংকটে আটকে আছে। 

তিনি বলেন, জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থাকে সঙ্গে নিয়ে যে পরিস্থিতি তারা নিজেরাই সৃষ্টি করেছে, এখন সেই সংকট থেকেই বের হতে পারছে না। 

বাঘায়ি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের জাতীয় স্বার্থ। একটি দেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া বহু অজানা সমীকরণ নয়। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ, আর এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নেওয়া হয়। 

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ ও শান্তির সময় নির্ধারণের ক্ষমতা আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে দেব না। যতদিন প্রয়োজন, ততদিন আমরা আত্মরক্ষা চালিয়ে যাব।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্রাসন শুরু করে। তবে ৪০ দিন পর, অর্থাৎ ৮ এপ্রিল, ইরানের প্রতিরোধ ও পাল্টা অভিযানের মুখে তারা যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয়। এরপর ১৭ জুন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটন শত্রুতা বন্ধ এবং পরবর্তী আলোচনার প্রস্তুতির লক্ষ্যে একটি  সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে।

তবে ইরানে আবারও হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ওই সমঝোতার সব শর্ত লঙ্ঘন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে কঠোর পাল্টা হামলা চালায়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow