যুবকের অন্তর্বাসে লুকানো ছিল ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা এক যাত্রীর আন্ডারওয়্যারের ভেতরে লুকিয়ে আনা স্বর্ণের পেস্ট ও পাউডার উদ্ধার করেছে এনএসআই, ডিজিএফআই এবং কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া চালানটির বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় দুবাই থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান কুমিল্লা সদর উপজেলার দীঘলগাঁও এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তুষার।  জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ গোয়েন্দা দল তাকে তল্লাশি করে। এ সময় তার আন্ডারওয়্যারের ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা পেস্ট ও পাউডার আকারের স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের ওজন আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ গ্রাম হলেও এর মধ্যে প্রকৃত সোনার পরিমাণ নির্ধারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। পেস্ট ও পাউডার গলিয়ে বিশুদ্ধ স্বর্ণের পৃথক করার পরই এর সঠিক ওজন নিশ্চিত হওয়া যাবে। তাই চূড়ান্ত ওজন এবং বাজারমূল্য কিছুটা কমবেশি হতে পারে। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রাজস্ব আদায় কর্মকর্তা আবুল কাশেম কালবেলাকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণ

যুবকের অন্তর্বাসে লুকানো ছিল ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা এক যাত্রীর আন্ডারওয়্যারের ভেতরে লুকিয়ে আনা স্বর্ণের পেস্ট ও পাউডার উদ্ধার করেছে এনএসআই, ডিজিএফআই এবং কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া চালানটির বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় দুবাই থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান কুমিল্লা সদর উপজেলার দীঘলগাঁও এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তুষার। 

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ গোয়েন্দা দল তাকে তল্লাশি করে। এ সময় তার আন্ডারওয়্যারের ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা পেস্ট ও পাউডার আকারের স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের ওজন আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ গ্রাম হলেও এর মধ্যে প্রকৃত সোনার পরিমাণ নির্ধারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। পেস্ট ও পাউডার গলিয়ে বিশুদ্ধ স্বর্ণের পৃথক করার পরই এর সঠিক ওজন নিশ্চিত হওয়া যাবে। তাই চূড়ান্ত ওজন এবং বাজারমূল্য কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রাজস্ব আদায় কর্মকর্তা আবুল কাশেম কালবেলাকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণসহ বিভিন্ন অবৈধ চালান উদ্ধারে আমরা সর্বোচ্চ সচেষ্ট রয়েছি। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানেই বড় একটি চালান আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তবে উদ্ধার হওয়া সোনার সঠিক পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। বর্তমানে আমাদের ডিজি মহোদয় ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন। অভিযানটি নিয়ে শিগগিরই বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বর্ণের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ শেষে উদ্ধারকৃত চালান বিমানবন্দর কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। 

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বৈদেশিক মুদ্রা পাচার ও সোনা চোরাচালান প্রতিরোধে এনএসআই, ডিজিএফআই, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স, বিমানবন্দর কাস্টমস এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সমন্বিতভাবেব কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন। 
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow