যুবলীগ নেতার ‘হাত কাটার’ প্রতিশোধ নিতে যুবককে হত্যা
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কয়েক বছর আগে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতির হাত কেটে দেওয়ার ঘটনার প্রতিশোধ নিতে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে সুমন শেখ (৩০) নামে এক যুবককে। হামলায় তার দুই হাতও বিচ্ছিন্ন করে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ পূর্বপাড়া গ্রামের অকিলের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন শেখ একই গ্রামের আলাউদ্দিন শেখের ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় হোসাইন শেখের নেতৃত্বে ধারালো অস্ত্রধারী একদল দুর্বৃত্ত সুমনের গতিরোধ করে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে তার দুই হাত কেটে ফেলে হামলাকারীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর আগে টগরবন্দ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য কুদ্দুস শেখের ছেলে হোসাইন শেখের হাত কেটে ফেলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কয়েক বছর আগে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতির হাত কেটে দেওয়ার ঘটনার প্রতিশোধ নিতে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে সুমন শেখ (৩০) নামে এক যুবককে। হামলায় তার দুই হাতও বিচ্ছিন্ন করে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ পূর্বপাড়া গ্রামের অকিলের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন শেখ একই গ্রামের আলাউদ্দিন শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় হোসাইন শেখের নেতৃত্বে ধারালো অস্ত্রধারী একদল দুর্বৃত্ত সুমনের গতিরোধ করে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে তার দুই হাত কেটে ফেলে হামলাকারীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর আগে টগরবন্দ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য কুদ্দুস শেখের ছেলে হোসাইন শেখের হাত কেটে ফেলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবারের হামলাটি সেই বিরোধের প্রতিশোধ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, হামলাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত হোসাইন শেখ ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
What's Your Reaction?