রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে যে ৮ খাবার
হার্টের সমস্যা এখনো মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। আর উঁচু রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার এমন একটি সমস্যা, যা হার্টের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলে। হার্ট সুস্থ রাখতে চাইলে ডায়েটের দিকে খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ। উঁচু রক্তচাপকে অনেক সময় বলা হয় ‘নীরব খুনি’, কারণ অনেক সময় কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে সঠিক খাবার এবং জীবনধারার পরিবর্তন দিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চলুন কিছু খাবারের কথা জেনে নিই, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। কলা প্রতিদিন একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। কলায় পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে, যা দেহের সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। বেশি পটাশিয়াম খেলে দেহের অতিরিক্ত সোডিয়াম বের হয়। সকালে সকালের নাশতার সঙ্গে কলা মেশিয়ে খেতে পারেন, যেমন হোল গ্রেইন সিরিয়াল বা কম ফ্যাটের দই। চর্বিযুক্ত মাছ স্যালমন, ম্যাকারেল বা সিমেন্টারি মাছের মতো ফ্যাটি ফিশে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা হার্টের জন্য উপকারী। এগুলো রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। মাংসের বদলে মাছ খাওয়ার অভ্যাস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। ওটস ও
হার্টের সমস্যা এখনো মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। আর উঁচু রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার এমন একটি সমস্যা, যা হার্টের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলে। হার্ট সুস্থ রাখতে চাইলে ডায়েটের দিকে খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
উঁচু রক্তচাপকে অনেক সময় বলা হয় ‘নীরব খুনি’, কারণ অনেক সময় কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে সঠিক খাবার এবং জীবনধারার পরিবর্তন দিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
চলুন কিছু খাবারের কথা জেনে নিই, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
কলা
প্রতিদিন একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। কলায় পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে, যা দেহের সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। বেশি পটাশিয়াম খেলে দেহের অতিরিক্ত সোডিয়াম বের হয়। সকালে সকালের নাশতার সঙ্গে কলা মেশিয়ে খেতে পারেন, যেমন হোল গ্রেইন সিরিয়াল বা কম ফ্যাটের দই।
চর্বিযুক্ত মাছ
স্যালমন, ম্যাকারেল বা সিমেন্টারি মাছের মতো ফ্যাটি ফিশে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা হার্টের জন্য উপকারী। এগুলো রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। মাংসের বদলে মাছ খাওয়ার অভ্যাস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
ওটস
ওটসে সলিউবল ফাইবার থাকে, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ওটস খাওয়া শুধু রক্তচাপই নয়, হার্টের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।
পাতাযুক্ত সবজি
পালং শাক, কেল, চায়নিজ কোলার্ড বা অন্যান্য পাতাযুক্ত সবজি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খুবই উপকারী। এগুলো শুধু রক্তচাপ কমায় না, বরং দেহের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও কমায়। সাধারণ লেটুসের বদলে কেল বা পালং শাক ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিনের খাবারে বেশি পাতাযুক্ত সবজি রাখুন।
বীজ ও ডাল
বীজ ও ডালও সলিউবল ফাইবার সমৃদ্ধ। এগুলো রক্তচাপ কমানোর পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রতিদিন কিছু ডাল বা বিনস খেলে হার্ট সুস্থ থাকে।
বাদাম
বাদাম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ বাদাম খেলে রক্তচাপ কমায়। তবে বেশি খাওয়া উচিত নয়। প্রতিদিন একটি মুঠো বাদাম যথেষ্ট।
বেরি
স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রসপবেরি বা অন্যান্য বেরিতে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এক কাপ বেরি প্রতিদিন খেলে রক্তচাপ কিছুটা কমে এবং ধমনিগুলো নমনীয় থাকে। রোজ বেরি খাওয়াই বেশি উপকারী।
টমেটো
টমেটোতে লাইকোপিন থাকে, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। টমেটোকে আপনার প্রতিদিনের খাবারের অংশ হিসেবে রাখুন।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা হার্টকে সুস্থ রাখে। এ ছাড়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোও জরুরি। স্বাস্থ্যকর জীবনধারা এবং সঠিক ডায়েট মেনে চললে হাই ব্লাড প্রেশারের ঝুঁকি অনেক কমানো যায়।
সূত্র : Bethel Medical Associates
What's Your Reaction?