রাউজানে একদিনের ব্যবধানে আবারও খুন, প্রাণ গেল যুবদল কর্মীর

চট্টগ্রামের রাউজানে একদিনের ব্যবধানে আবারও গুলিতে খুনের ঘটনা ঘটেছে। এবার দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন নাছির উদ্দীন (৪৫) নামে এক যুবদল কর্মী। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শমশেরপাড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত নাছির উদ্দীন কদলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ শমশেরপাড়া এলাকার মৃত দুদু মিয়ার ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি যুবদলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ শমশেরপাড়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় নাছির উদ্দীনকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাতেই তার মৃত্যু হয়। প্রতক্ষ্যদর্শীদের ভাষ্যমতে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। পাহাড় ও কৃষিজমির মাটি কাটা, বালু ব্যবসা এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে কদল

রাউজানে একদিনের ব্যবধানে আবারও খুন, প্রাণ গেল যুবদল কর্মীর

চট্টগ্রামের রাউজানে একদিনের ব্যবধানে আবারও গুলিতে খুনের ঘটনা ঘটেছে। এবার দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন নাছির উদ্দীন (৪৫) নামে এক যুবদল কর্মী। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শমশেরপাড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত নাছির উদ্দীন কদলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ শমশেরপাড়া এলাকার মৃত দুদু মিয়ার ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি যুবদলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ শমশেরপাড়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় নাছির উদ্দীনকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাতেই তার মৃত্যু হয়।

প্রতক্ষ্যদর্শীদের ভাষ্যমতে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। পাহাড় ও কৃষিজমির মাটি কাটা, বালু ব্যবসা এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে কদলপুর ইউনিয়নে একাধিক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব বিরোধের জেরেই নাছির হামলার শিকার হয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বরও নাছিরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হলেও দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। রাতে আবারও হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন তিনি।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাবের সুলতান কাজল বলেন, নাছির উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে দলের কর্মী হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসাইন জানান, নাছিরের তলপেট ও পায়ে একাধিক গুলি লাগে। গুরুতর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুরে আলম আশেক জানান, হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাছির মারা যান।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। কী কারণে এ হামলা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, নিহত নাছিরের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে।

এর আগে শনিবার ভোরে রাউজান পৌরসভার আইলীখীল এলাকায় মুহাম্মদ কাউসার উজ জামান বাবলু (৩৬) নামে আরেক যুবক গুলিতে নিহত হন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরপর দুই হত্যাকাণ্ডে রাউজানজুড়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow