রাঙামাটিতে ৮০০ পেঁপে গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা
রাঙামাটি শহরের আসামবস্তী ব্রাহ্মণটিলা এলাকায় একটি পেঁপে বাগানের ৮০০ গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালি ছাত্র পরিষদের ব্যানারে শহরের বনরূপা সিএনজি স্টেশন এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে কাঁঠালতলী থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বনরূপায় এসে শেষ হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজু। বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ সদস্য ও বাঙালি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হাবিব আজম এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক খলিলুর রহমান। বক্তারা অভিযোগ করেন, চিহ্নিত দুই ব্যক্তি বাগান মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা না দেওয়ায় শুক্রবার দিবাগত রাতে বাগানের ৮০০ পেঁপে গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। এ ঘটনায় জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান বক্তারা। ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক খলিলুর রহমান কালবেলাকে জানান, গত ২২ ও ২৩ জুলাই তার বাগানের কেয
রাঙামাটি শহরের আসামবস্তী ব্রাহ্মণটিলা এলাকায় একটি পেঁপে বাগানের ৮০০ গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালি ছাত্র পরিষদের ব্যানারে শহরের বনরূপা সিএনজি স্টেশন এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে কাঁঠালতলী থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বনরূপায় এসে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজু। বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ সদস্য ও বাঙালি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হাবিব আজম এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক খলিলুর রহমান।
বক্তারা অভিযোগ করেন, চিহ্নিত দুই ব্যক্তি বাগান মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা না দেওয়ায় শুক্রবার দিবাগত রাতে বাগানের ৮০০ পেঁপে গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। এ ঘটনায় জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান বক্তারা।
ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক খলিলুর রহমান কালবেলাকে জানান, গত ২২ ও ২৩ জুলাই তার বাগানের কেয়ারটেকারের কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি করা হয় এবং মালিকের ফোন নম্বর চাওয়া হয়। কেয়ারটেকার নম্বর দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকি দিয়ে বলা হয়, চাঁদা না দিলে বাগান করা যাবে না এবং প্রশাসনও বেশি দিন নিরাপত্তা দিতে পারবে না। এছাড়া গত মঙ্গলবার দুই ব্যক্তি বাগানে এসে মালিকের খোঁজ করেন। পরে বৃহস্পতিবার রাতে ১ হাজার ৮০০ গাছের মধ্যে ৮০০ গাছ কেটে ফেলা হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি এ ঘটনায় দিশাহারা হয়ে পড়েছি। বিষয়টি নিয়ে রাঙামাটি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’
সমাবেশে বাগান মালিক, স্থানীয় বাসিন্দা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালি ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?