রাঙ্গামাটিতে কমতে শুরু করছে নদীর পানি, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) বৃষ্টিপাত কমে আসায় বিলাইছড়ির রাইখ্যং নদীর পানি ও স্রোত কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। এতে বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ধীরে ধীরে পানি নামতে শুরু করেছে। এছাড়া পানি কমতে শুরু করায় তলিয়ে যাওয়া ফারুয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা আবারও দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। অপরদিকে বাঘাইছড়িতে পানিবন্দি বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে পানি নেমে গিয়ে জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আশ্রয়কেন্দ্রেগুলো থেকে দুর্গতরা বসতভিটায় ফিরতে শুরু করেছেন। বাঘাইছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমেনা মারজান জাগো নিউজকে বলেন, পানি কমতে শুরু করেছে। অনেকগুলো দুর্গত এলাকার জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ১ হাজার ৪৪৫ জন দুর্গত মানুষ অবস্থান করছে। এদিকে এর আগে শনিবার বিলাইছড়ির রাইখ্যং নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ফারুয়া ইউনিয়নে সরাসরি ত্রাণ নিয়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে ফারুয়া ইউনিয়নের ১০০টি বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়

রাঙ্গামাটিতে কমতে শুরু করছে নদীর পানি, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) বৃষ্টিপাত কমে আসায় বিলাইছড়ির রাইখ্যং নদীর পানি ও স্রোত কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। এতে বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ধীরে ধীরে পানি নামতে শুরু করেছে।

এছাড়া পানি কমতে শুরু করায় তলিয়ে যাওয়া ফারুয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা আবারও দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। অপরদিকে বাঘাইছড়িতে পানিবন্দি বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে পানি নেমে গিয়ে জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আশ্রয়কেন্দ্রেগুলো থেকে দুর্গতরা বসতভিটায় ফিরতে শুরু করেছেন।

বাঘাইছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমেনা মারজান জাগো নিউজকে বলেন, পানি কমতে শুরু করেছে। অনেকগুলো দুর্গত এলাকার জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ১ হাজার ৪৪৫ জন দুর্গত মানুষ অবস্থান করছে।

এদিকে এর আগে শনিবার বিলাইছড়ির রাইখ্যং নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ফারুয়া ইউনিয়নে সরাসরি ত্রাণ নিয়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে ফারুয়া ইউনিয়নের ১০০টি বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। বিতরণ করা ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য।

বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন জানান, নদীর স্রোত আগের তুলনায় কমে আসায় উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদেরকে সঙ্গে নিয়ে ফারুয়া ইউনিয়নে ইতোমধ্যে ত্রাণ পৌঁছানো হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। বৃষ্টি না হলে দ্রুতই নিন্মাঞ্চল থেকে পানি সরে যাবে।

তিনি আরও জানান, শনিবার রাত পর্যন্ত ফারুয়া ইউনিয়নের একমাত্র আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৫০ জন আশ্রয় নিয়েছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শনিবার রাইখ্যং নদীতে পাহাড়ি ঢল ও তীব্র স্রোতের কারণে ফারুয়া ইউনিয়নের সঙ্গে নৌপথে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন ইউনিয়নের বাসিন্দারা এবং সরাসরি ত্রাণ কার্যক্রমও ব্যাহত হয়। তবে নদীর পানি ও স্রোত কমতে শুরু করায় প্রশাসনের আশা, এখন থেকে বন্যাকবলিত এলাকায় নিয়মিত ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

আবু দারদা খান আরমান/এনএইচআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow