রাজধানীতে ডিএনসির অভিযান, বিপুল শিশা সামগ্রী ও গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৬
রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও খিলক্ষেত এলাকায় পৃথক অভিযানে বিপুল অবৈধ শিশা সামগ্রী ও গাঁজা জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশনস) মো. বশির আহমেদ।
তিনি বলেন, গত ২১ মে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে মাদক ও অবৈধ শিশা ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, উপপরিচালক শামীম আহম্মেদের তত্ত্বাবধানে প্রথম অভিযানটি চালানো হয় বনানীর কড়াইল বস্তির বিটিসিএল কলোনির কল্যাণ-১৫ নম্বর টিনশেড এলাকায়। সেখানে একটি বাসায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শিশা, হুক্কা সেট, মাটির কল্কি, কয়লা ও অন্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে জাহানারা বেগম (৫৫) ও শাহীন রাড়ী (১৯) নামে দুজনকে আটক করা হয়। তবে শরীফ আল জাওয়াদ (৩৬) নামের একজনকে পলাতক হিসেবে উল্লেখ করেছে ডিএনসি।
জব্দ করা আলামতের মধ্যে রয়েছে ২০ কেজি শিশা, ৩৪টি হুক্কা সেট, ৭৪টি মাটির কল্কি, ৪ কেজি কয়লা, একটি মোবাইল ফোন এবং ‘এক্সোটিক লাউঞ্জ’ সংশ্লিষ্ট ৫০
রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও খিলক্ষেত এলাকায় পৃথক অভিযানে বিপুল অবৈধ শিশা সামগ্রী ও গাঁজা জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশনস) মো. বশির আহমেদ।
তিনি বলেন, গত ২১ মে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে মাদক ও অবৈধ শিশা ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, উপপরিচালক শামীম আহম্মেদের তত্ত্বাবধানে প্রথম অভিযানটি চালানো হয় বনানীর কড়াইল বস্তির বিটিসিএল কলোনির কল্যাণ-১৫ নম্বর টিনশেড এলাকায়। সেখানে একটি বাসায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শিশা, হুক্কা সেট, মাটির কল্কি, কয়লা ও অন্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে জাহানারা বেগম (৫৫) ও শাহীন রাড়ী (১৯) নামে দুজনকে আটক করা হয়। তবে শরীফ আল জাওয়াদ (৩৬) নামের একজনকে পলাতক হিসেবে উল্লেখ করেছে ডিএনসি।
জব্দ করা আলামতের মধ্যে রয়েছে ২০ কেজি শিশা, ৩৪টি হুক্কা সেট, ৭৪টি মাটির কল্কি, ৪ কেজি কয়লা, একটি মোবাইল ফোন এবং ‘এক্সোটিক লাউঞ্জ’ সংশ্লিষ্ট ৫০ পৃষ্ঠার কিছু নথিপত্র।
ডিএনসি জানায়, কড়াইলের ওই বাসাটি অবৈধ শিশা সামগ্রী মজুদের কাজে ব্যবহৃত হতো। পরে সেখান থেকে বিভিন্ন সময় গুলশান-বনানী এলাকার একটি লাউঞ্জে এসব সরঞ্জাম সরবরাহ করা হতো।
এদিকে একই দিনে খিলক্ষেত বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আরেকটি অভিযান চালায় ডিএনসির গুলশান সার্কেল। রাজউক ট্রেড সেন্টারের সামনে গাজীপুরগামী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন (৪৬), ইরন মিয়া (৪৫), মো. ইয়াছিন (৩৯) ও মোছা. আলেয়া বেগমকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিএনসি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী বনানী ও খিলক্ষেত থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে অবৈধ শিশা বার ও মাদক কারবারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।