রাজধানীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের ঝটিকা মিছিল, ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
রাজধানীর হাজারীবাগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ব্যানারে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫০ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলাটি নিশ্চিত করেছেন হাজারীবাগ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের নির্দেশে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হাজারীবাগ থানার সোনার বাংলা মুরগির আড়তের পাশের বেড়িবাঁধ সড়কে আকস্মিকভাবে মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান ও অপপ্রচার চালানো হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। খবর পেয়ে হাজারীবাগ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় মো. শহিদুল ইসলাম (৪৫) ও মো. সুমন (২২) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকি আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। মামলার এজাহারে শাহীন আহমেদ ছাড়াও যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- মো. শহিদুল ইসলাম (৪৫), ম
রাজধানীর হাজারীবাগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ব্যানারে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫০ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলাটি নিশ্চিত করেছেন হাজারীবাগ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের নির্দেশে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হাজারীবাগ থানার সোনার বাংলা মুরগির আড়তের পাশের বেড়িবাঁধ সড়কে আকস্মিকভাবে মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান ও অপপ্রচার চালানো হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
খবর পেয়ে হাজারীবাগ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় মো. শহিদুল ইসলাম (৪৫) ও মো. সুমন (২২) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকি আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
মামলার এজাহারে শাহীন আহমেদ ছাড়াও যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- মো. শহিদুল ইসলাম (৪৫), মো. সুমন (২২), মো. রানা (২৬), কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের নেতা; গাজী মাসুম বিল্লাহ জুয়েল (৩০), ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি; জসিম আহমেদ নিরব (৩২), ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক; মাসুদ রানা (৩০), কেরানীগঞ্জ মডেল থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক; শরীফ হোসেন শরীফ (৩২), কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি; সাইদুর রহমান রতন (৩৪), কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি; আবু আলেম মোল্লা রানা (৪৩), কেরানীগঞ্জ মডেল থানা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি; রোমান আহমেদ (২৫), সরকারি ইস্পাহানি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি; একরাম (২৪), একই কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক; মো. সোহেল, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক; কালাম শেখ (৫৫), বাড়ৈখালী ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং আরও ৩০ থেকে ৩৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৭, ৮, ৯, ১১ ও ১২ ধারায় হাজারীবাগ থানায় ১৭ নম্বর মামলা রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাজারীবাগ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, সকালের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের দাবি, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে এই আকস্মিক মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তবে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?