রাজনীতি অর্থবহ না হলে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দুর্বল হবে: মান্না

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, দেশের প্রগতিশীল রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও আদর্শিক লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে রাজনৈতিক ভাষা ও কৌশলেও পরিবর্তন আনা জরুরি। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে রাজনীতিকে অর্থবহ করে তুলতে না পারলে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাসকে তরুণদের বোধগম্য ভাষায় উপস্থাপন না করা হলে আন্দোলনের ধারাবাহিকতা টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। শুক্রবার (৮ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে গণতন্ত্রী পার্টি আয়োজিত ‘শোষণহীন, দুর্নীতিমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। মান্না বলেন, ক্ষুদ্র স্বার্থ ও ব্যক্তিগত ঈর্ষা আন্দোলনের শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি বিভেদের রাজনীতি পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের অনেক প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা ব্যক্তিগত সুবিধা বা সরকারি পদ-পদবির প্রত্যাশা না করে আদর্শের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন। তাদের রাজনৈতিক সততা বর্তমান প্রজন্

রাজনীতি অর্থবহ না হলে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দুর্বল হবে: মান্না

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, দেশের প্রগতিশীল রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও আদর্শিক লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে রাজনৈতিক ভাষা ও কৌশলেও পরিবর্তন আনা জরুরি।

তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে রাজনীতিকে অর্থবহ করে তুলতে না পারলে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাসকে তরুণদের বোধগম্য ভাষায় উপস্থাপন না করা হলে আন্দোলনের ধারাবাহিকতা টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।

শুক্রবার (৮ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে গণতন্ত্রী পার্টি আয়োজিত ‘শোষণহীন, দুর্নীতিমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

মান্না বলেন, ক্ষুদ্র স্বার্থ ও ব্যক্তিগত ঈর্ষা আন্দোলনের শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি বিভেদের রাজনীতি পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দেশের অনেক প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা ব্যক্তিগত সুবিধা বা সরকারি পদ-পদবির প্রত্যাশা না করে আদর্শের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন। তাদের রাজনৈতিক সততা বর্তমান প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হতে পারে।

শুধু তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, জনগণের বাস্তব জীবনসংগ্রাম ও চাহিদাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণ করতে হবে। মানুষের অধিকার, জীবিকা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে একটি বৃহত্তর ঐক্যবদ্ধ ফ্রন্ট গড়ে তোলারও আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, পশ্চিমবঙ্গে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপির সরকার গঠন আগামীতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার ও বিজেপি যদি বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা অব্যাহত রাখে এবং তাদের কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে পুশ ইন করার চেষ্টা চালায়, তাহলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে গুরুতর অবনতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের মার্কিনীদের দিকে ঝুঁকে পড়ার শঙ্কাও বেড়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণতন্ত্রী পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার। সঞ্চালনা করেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন। বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।

আরএএস/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow