রাজনৈতিক বিবেচনায় চিকিৎসকদের ক্যারিয়ার নষ্ট করা হবে না

রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে চিকিৎসকদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার সংস্কৃতি থেকে সরে আসার অঙ্গীকার করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশে কোনো চিকিৎসককে রাজনৈতিক কারণে পদায়ন বা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হবে না। সোমবার (৩০ মার্চ) বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির (ওএসবি) বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অঙ্গীকার তিনি। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছরে অনেক চক্ষু চিকিৎসক শুধু রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে পদায়ন ও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এতে তাদের পেশাগত জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। “একজন চিকিৎসকের জীবনের ১৫ বছর নষ্ট করে দেওয়া শুধু ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি অমানবিকও,”— যোগ করেন তিনি। বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের সমর্থনে গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ‘আমরা সেই বাংলাদেশে আর ফিরতে চাই না, যেখানে রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে পেশাগত দক্ষতাকে অপমান করা হয়,’— বলেন তিনি। সরকারের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি বৈষম্

রাজনৈতিক বিবেচনায় চিকিৎসকদের ক্যারিয়ার নষ্ট করা হবে না

রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে চিকিৎসকদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার সংস্কৃতি থেকে সরে আসার অঙ্গীকার করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশে কোনো চিকিৎসককে রাজনৈতিক কারণে পদায়ন বা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হবে না।

সোমবার (৩০ মার্চ) বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির (ওএসবি) বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অঙ্গীকার তিনি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছরে অনেক চক্ষু চিকিৎসক শুধু রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে পদায়ন ও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এতে তাদের পেশাগত জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। “একজন চিকিৎসকের জীবনের ১৫ বছর নষ্ট করে দেওয়া শুধু ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি অমানবিকও,”— যোগ করেন তিনি।

বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের সমর্থনে গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ‘আমরা সেই বাংলাদেশে আর ফিরতে চাই না, যেখানে রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে পেশাগত দক্ষতাকে অপমান করা হয়,’— বলেন তিনি।

সরকারের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি বৈষম্যহীন ও মেধাভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা হবে, যেখানে তরুণরা তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে পারবে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের অধিকার রক্ষা এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার একযোগে কাজ করবে।

তিনি বলেন, অতীতে চক্ষু চিকিৎসা খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো অবহেলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মতো প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক অধ্যাপক না থাকায় তরুণ চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ব্যাহত হচ্ছে। “নয়টি পদের বিপরীতে মাত্র দুইজন অধ্যাপক থাকলে মানসম্মত প্রশিক্ষণ কীভাবে সম্ভব?”— প্রশ্ন রাখেন তিনি।

তিনি জানান, সরকার এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানে পদক্ষেপ নেবে এবং শূন্য পদগুলোতে দ্রুত পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। চিকিৎসক সমাজের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চক্ষু চিকিৎসা খাতের উন্নয়নে যে কোনো গঠনমূলক প্রস্তাব সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।

এসইউজে/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow