‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘আইনজীবীদের পেশাগত উন্নয়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্য সুদৃঢ় করতে আঞ্চলিক আইনজীবী সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব সংগঠনকে রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণ, পেশাগত উৎকর্ষ এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।’ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে খুলনা বিভাগীয় আইনজীবী সমিতির সামার কনভেনশন-২০২৬ ও সংগঠনের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘খুলনা বিভাগের আইনজীবীদের সংগঠিত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ সংগঠনকে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে আইনজীবীদের পেশাগত স্বার্থ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রাধান্য পাবে।’ তিনি বলেন, ‘সমাজে বিভাজন নয়, বরং ঐক্য, সহনশীলতা ও পুনর্মিলনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি। আইনজীবীদের সংগঠনগুলোকে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, যেখানে প

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘আইনজীবীদের পেশাগত উন্নয়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্য সুদৃঢ় করতে আঞ্চলিক আইনজীবী সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব সংগঠনকে রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণ, পেশাগত উৎকর্ষ এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।’

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে খুলনা বিভাগীয় আইনজীবী সমিতির সামার কনভেনশন-২০২৬ ও সংগঠনের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘খুলনা বিভাগের আইনজীবীদের সংগঠিত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ সংগঠনকে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে আইনজীবীদের পেশাগত স্বার্থ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রাধান্য পাবে।’

তিনি বলেন, ‘সমাজে বিভাজন নয়, বরং ঐক্য, সহনশীলতা ও পুনর্মিলনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি। আইনজীবীদের সংগঠনগুলোকে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, যেখানে প্রবীণ ও নবীন আইনজীবীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘খুলনা বিভাগ থেকে প্রতি বছর মেধাবী আইনজীবী, বিচারক ও আইন কর্মকর্তা দেশের বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। আগামী দিনেও এ ধারা অব্যাহত রাখতে খুলনা বিভাগীয় আইনজীবী সমিতিকে আরও শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আইনজীবী সমাজ আইনের শাসন, মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। সেই দায়িত্ব পালনে পেশাগত সততা, নৈতিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সবাই রাজনৈতিক পরিচয়ের আগে নিজেকে একজন আইনজীবী এবং খুলনা বিভাগের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করবেন। ঐক্য, সম্প্রীতি ও পেশাগত উৎকর্ষের মাধ্যমেই আইনজীবী সমাজ আরও সমৃদ্ধ হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান ও সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির, অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. বদরুদ্দোজা বাদল এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীসহ অনেকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow