রাতারাতি কোটিপতি হতে বান্ধবীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি, গ্রেপ্তার ৪
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার লোভে মোবাইলে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা হয়েছে।
সোমবার (০৩ আগস্ট) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পর্নো ভিডিও তৈরির কাজে ব্যবহৃত মোবাইলসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- পলাশবাড়ি উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশিদুল ইসলাম ওরফে রাশিদুলের কন্যা মামুনী আক্তার (২৪), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর হাজিপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (৩০), সাদুল্লাপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রেজেনা খাতুন সাথী (২৮) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের পুত্র মামুন অর রশিদ (৩০)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে এই ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।
জাহিদ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গ্রেপ্ত
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার লোভে মোবাইলে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা হয়েছে।
সোমবার (০৩ আগস্ট) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পর্নো ভিডিও তৈরির কাজে ব্যবহৃত মোবাইলসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- পলাশবাড়ি উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশিদুল ইসলাম ওরফে রাশিদুলের কন্যা মামুনী আক্তার (২৪), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর হাজিপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (৩০), সাদুল্লাপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রেজেনা খাতুন সাথী (২৮) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের পুত্র মামুন অর রশিদ (৩০)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে এই ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।
জাহিদ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া নারীরা এই বাসায় আরও অনেক নারীদের নিয়ে প্রায় সময় আসতেন। আমাদের সন্দেহ হতো। এরা সমাজকে নষ্ট করে ফেলছে। এরা মূলত রাতারাতি কোটিপতি হতে এসব করেছে বলে আমি জানতে পারি। আমরা এদের শাস্তি চাই।
ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রেপ্তারদের আদালতে প্রেরণ ও এরসঙ্গে জড়িত পলাতক থাকা অন্যান্যদের এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।