রাতে খুব ঘাম হয়, কত দিন অন্তর বিছানার চাদর কাচবেন?
রাতে ঘুমানোর সময় শরীরের অজান্তেই ঘাম বের হয়। আর এই ঘাম, ত্বকের তেল, ধুলা আর প্রতিদিনের ব্যবহার মিলে ধীরে ধীরে আমাদের বিছানার চাদরকে করে তোলে অদৃশ্য জীবাণুর আখড়া। বাইরে থেকে পরিষ্কার দেখালেও ভেতরে জমে থাকে নানা ধরনের অণুজীব, যা অনেক সময় ত্বকের সমস্যা থেকে শুরু করে অ্যালার্জি পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। অথচ ব্যস্ততার কারণে বা অভ্যাসগত অবহেলায় বিছানার চাদর কাচা নিয়ে আমাদের অনেকেরই তেমন নিয়মিততা থাকে না। কারও ক্ষেত্রে ১৫ দিনে একবার, কারও আবার মাসে একবার চাদর বদলানোই রুটিন। কিন্তু ত্বক ও স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস যথেষ্ট নয়। বরং বিছানার চাদর পরিষ্কার রাখার ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতন হওয়া জরুরি। কত দিন অন্তর কাচা উচিত? সাধারণভাবে প্রতি ১ সপ্তাহে একবার বিছানার চাদর এবং বালিশের কভার কাচা উচিত। কারণ প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে চাদরে জমে যায় অদৃশ্য ধুলা, ঘাম ও ত্বকের মৃত কোষ। চোখে দেখা না গেলেও এগুলোই ধীরে ধীরে জীবাণুর উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। বালিশের কভারের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক হওয়া ভালো। প্রতি দু’দিন অন্তর কাচলে ত্বক ও চুলের সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে যাদের ঘাম
রাতে ঘুমানোর সময় শরীরের অজান্তেই ঘাম বের হয়। আর এই ঘাম, ত্বকের তেল, ধুলা আর প্রতিদিনের ব্যবহার মিলে ধীরে ধীরে আমাদের বিছানার চাদরকে করে তোলে অদৃশ্য জীবাণুর আখড়া। বাইরে থেকে পরিষ্কার দেখালেও ভেতরে জমে থাকে নানা ধরনের অণুজীব, যা অনেক সময় ত্বকের সমস্যা থেকে শুরু করে অ্যালার্জি পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। অথচ ব্যস্ততার কারণে বা অভ্যাসগত অবহেলায় বিছানার চাদর কাচা নিয়ে আমাদের অনেকেরই তেমন নিয়মিততা থাকে না।
কারও ক্ষেত্রে ১৫ দিনে একবার, কারও আবার মাসে একবার চাদর বদলানোই রুটিন। কিন্তু ত্বক ও স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস যথেষ্ট নয়। বরং বিছানার চাদর পরিষ্কার রাখার ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতন হওয়া জরুরি।
কত দিন অন্তর কাচা উচিত?
সাধারণভাবে প্রতি ১ সপ্তাহে একবার বিছানার চাদর এবং বালিশের কভার কাচা উচিত। কারণ প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে চাদরে জমে যায় অদৃশ্য ধুলা, ঘাম ও ত্বকের মৃত কোষ। চোখে দেখা না গেলেও এগুলোই ধীরে ধীরে জীবাণুর উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে।
বালিশের কভারের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক হওয়া ভালো। প্রতি দু’দিন অন্তর কাচলে ত্বক ও চুলের সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে যাদের ঘাম বেশি হয়, বাড়িতে পোষা প্রাণী থাকে কিংবা অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে দু’বার চাদর কাচা আরও উপকারী।
কেন প্রতি সপ্তাহে বিছানার চাদর কাচবেন?
দেখতে পরিষ্কার মনে হলেও বিছানার চাদর আসলে জীবাণুর জন্য খুবই অনুকূল একটি জায়গা। প্রতিদিন আমাদের শরীর থেকে হাজার হাজার মৃত ত্বককোষ ঝরে পড়ে, যা চাদরের ভেতরে জমতে থাকে। এই মৃত কোষই আবার ডাস্ট মাইট নামে পরিচিত ক্ষুদ্র জীবের প্রধান খাবার।
এই ডাস্ট মাইট বিছানায় বংশবিস্তার করে এবং এদের উপস্থিতি বাড়লে হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট বা অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হলো, বিছানা পরিষ্কার মনে হলেও এই জীবাণু সহজে চোখে ধরা পড়ে না।
এছাড়া ঘাম ও ত্বকের প্রাকৃতিক তেল চাদরের সঙ্গে মিশে ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়। এর ফলে ত্বকে র্যাশ, সংক্রমণ বা অস্বস্তিকর সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিছানার চাদর কাচার সময়ে কী কী বিষয়ে মাথায় রাখবেন?
বিছানার চাদর ধোয়ার ক্ষেত্রে কিছু ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা উচিত—
১. গরম পানি দিয়ে ধোয়া ভালো, কারণ এতে ব্যাকটেরিয়া ও ডাস্ট মাইট অনেকাংশে ধ্বংস হয়।
২. ডিটারজেন্টের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা অ্যান্টিসেপটিক লিক্যুইড ব্যবহার করলে পরিষ্কার আরও কার্যকর হয়।
৩. চাদর কাচার আগে অবশ্যই লেবেল দেখে নিন, ওয়াশিং মেশিনে কাচা যাবে কি না তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
৪. ধোয়ার পর চাদর ভালোভাবে রোদে শুকানো উচিত, কারণ কড়া রোদ জীবাণু নির্মূলে সাহায্য করে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি
What's Your Reaction?