রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তের তাণ্ডব, ৫২টি গাছ কর্তন

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে পূর্ব শত্রুতার জেরে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর ফলের বাগানের ৫২টি গাছ কেটে ও ভেঙ্গে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামের পূর্বপাশে তার পুকুর ও ফলের বাগানে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ গ্রামের মৃত মঙ্গল মিয়ার ছেলে। ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামের ছেলে বিএনপি নেতা সজিব আহমেদ জানান, চণ্ডিপুর গ্রামের পূর্বপাশে তাদের দুই একর জায়গার মধ্যে ৩০ শতাংশ জায়গায় পুকুর ও ফলের বাগান করেছেন। বাগানে তারা আম, পেঁপে, সুপারি গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়েছিলেন। শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা তাদের বাগানে তাণ্ডব চালিয়ে আম, পেঁপে ও সুপারি গাছসহ মোট ৫২টি গাছ কেটে ও ভেঙ্গে ফেলে। এতে করে তারা বেশ ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সজিব আহমেদ আরো জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ও তার পক্ষের লোকজনের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছে। এই পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা চলে আসছে। এই কারণে ক্ষতির শিকার হওয়া তাদের ফলের ব

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তের তাণ্ডব, ৫২টি গাছ কর্তন

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে পূর্ব শত্রুতার জেরে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর ফলের বাগানের ৫২টি গাছ কেটে ও ভেঙ্গে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামের পূর্বপাশে তার পুকুর ও ফলের বাগানে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ গ্রামের মৃত মঙ্গল মিয়ার ছেলে।

ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামের ছেলে বিএনপি নেতা সজিব আহমেদ জানান, চণ্ডিপুর গ্রামের পূর্বপাশে তাদের দুই একর জায়গার মধ্যে ৩০ শতাংশ জায়গায় পুকুর ও ফলের বাগান করেছেন। বাগানে তারা আম, পেঁপে, সুপারি গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়েছিলেন। শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা তাদের বাগানে তাণ্ডব চালিয়ে আম, পেঁপে ও সুপারি গাছসহ মোট ৫২টি গাছ কেটে ও ভেঙ্গে ফেলে। এতে করে তারা বেশ ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

সজিব আহমেদ আরো জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ও তার পক্ষের লোকজনের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছে। এই পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা চলে আসছে। এই কারণে ক্ষতির শিকার হওয়া তাদের ফলের বাগানটি দেখতেও তারা যেতে পারছেন না। গাছ কেটে ফেলার বিষয়টি তিনি প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন।

সজিব আহমেদের দাবি, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের পক্ষের লোকজনই হয়তো এই অপকর্মটি করেছে। তিনি বিষয়টি মুঠোফোনে মিঠামইন থানার ওসি’কে অবগত করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow