রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের
চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সাময়িকভাবে থামতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। শুক্রবার (৮ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, শনিবার (৯ মে) থেকে সোমবার (১১ মে) পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি চলবে। তিনি লেখেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি হতে যাচ্ছে।’ ট্রাম্পের ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ক্রেমলিন উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ‘বিজয় দিবস’ উপলক্ষে ৯ মে কেন্দ্র করে একতরফাভাবে দুই দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল রাশিয়া। অন্যদিকে ইউক্রেন দাবি করেছিল, তারাও যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু মস্কো তা উপেক্ষা করেছে। ট্রাম্প জানান, এই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ তিনি সরাসরি উভয় পক্ষকে করেছিলেন। প্রস্তাব মেনে নেওয়ায় রাশিয়া ও ইউক্রেন— দুই দেশকেই ধন্যবাদ জানান তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিজয় দিবস রাশিয়ার জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি
চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সাময়িকভাবে থামতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
শুক্রবার (৮ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, শনিবার (৯ মে) থেকে সোমবার (১১ মে) পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি চলবে।
তিনি লেখেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি হতে যাচ্ছে।’
ট্রাম্পের ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ক্রেমলিন উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ‘বিজয় দিবস’ উপলক্ষে ৯ মে কেন্দ্র করে একতরফাভাবে দুই দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল রাশিয়া। অন্যদিকে ইউক্রেন দাবি করেছিল, তারাও যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু মস্কো তা উপেক্ষা করেছে।
ট্রাম্প জানান, এই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ তিনি সরাসরি উভয় পক্ষকে করেছিলেন। প্রস্তাব মেনে নেওয়ায় রাশিয়া ও ইউক্রেন— দুই দেশকেই ধন্যবাদ জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিজয় দিবস রাশিয়ার জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ইউক্রেনের জন্যও তা ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। যুদ্ধবিরতির সময় সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে এবং উভয় দেশ থেকে এক হাজার করে মোট দুই হাজার বন্দি বিনিময় করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন সমাধানের আরও কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি। আশা করি, এটি দীর্ঘ ও প্রাণঘাতী যুদ্ধের সমাপ্তির শুরু।’
তবে যুদ্ধ বন্ধের পথ এখনো পুরোপুরি মসৃণ নয়। বিশেষ করে পূর্ব ইউক্রেনের দনেতস্ক অঞ্চল শান্তি আলোচনার বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অঞ্চলটির বড় অংশ বর্তমানে রুশ নিয়ন্ত্রণে।
মস্কো চায়, দনেতস্কের বাকি অংশ থেকেও ইউক্রেনীয় সেনারা সরে যাক। কিন্তু কিয়েভ স্পষ্ট জানিয়েছে, নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কোনো ভূখণ্ড ছাড়তে তারা রাজি নয়।
জেলেনস্কি একাধিকবার বলেছেন, ইউক্রেনের ভূখণ্ড বিসর্জন দিয়ে কোনো শান্তি চুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় ভবিষ্যৎ সমঝোতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।
সূত্র : আল জাজিরা।
What's Your Reaction?