রাস্তায় প্রাচীর তুলে চলাচলের পথ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে ৫০ পরিবার
দৈনন্দিন চলাচলের একমাত্র রাস্তায় রাতারাতি ইটের প্রাচীর তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বগুড়ার শেরপুরে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় অন্তত ৫০টি পরিবার এবং থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে এক নারী উদ্যোক্তার দিনবদল ও জীবিকার চাকা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ফারাজিপাড়া গ্রামে। শনিবার (১ আগস্ট) এ নিয়ে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হলে, শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের এই পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু সাধারণ মানুষই নয়, প্রায় শতাধিক একর জমির ফসল আনা-নেওয়া নিয়েও চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এলাকাবাসী। লিখিত অভিযোগে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা শাহানাজ খাতুন জানান, নিজ বাড়িতে মাশরুম চাষ, জৈব সার উৎপাদন, মাছ চাষ ও গবাদিপশু পালন করে তিনি জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। একই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গফুরের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে আব্দুল গফুর তাদের বাড়িতে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এবং এলাকার প্রায় অর্ধশশত পরিবারের ব্যবহারের পথটির ওপর ইটের প্রাচীর তোলা শুরু করেন। শাহানাজ খাতুন অভিযোগ করেন, নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে
দৈনন্দিন চলাচলের একমাত্র রাস্তায় রাতারাতি ইটের প্রাচীর তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বগুড়ার শেরপুরে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় অন্তত ৫০টি পরিবার এবং থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে এক নারী উদ্যোক্তার দিনবদল ও জীবিকার চাকা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ফারাজিপাড়া গ্রামে।
শনিবার (১ আগস্ট) এ নিয়ে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হলে, শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের এই পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু সাধারণ মানুষই নয়, প্রায় শতাধিক একর জমির ফসল আনা-নেওয়া নিয়েও চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এলাকাবাসী। লিখিত অভিযোগে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা শাহানাজ খাতুন জানান, নিজ বাড়িতে মাশরুম চাষ, জৈব সার উৎপাদন, মাছ চাষ ও গবাদিপশু পালন করে তিনি জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। একই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গফুরের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
শনিবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে আব্দুল গফুর তাদের বাড়িতে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এবং এলাকার প্রায় অর্ধশশত পরিবারের ব্যবহারের পথটির ওপর ইটের প্রাচীর তোলা শুরু করেন। শাহানাজ খাতুন অভিযোগ করেন, নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে আব্দুল গফুর আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারতে তেড়ে আসেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তিনি প্রাণনাশের হুমকিসহ নানা ভয়ভীতি দেখান এবং গায়ের জোরে দেয়াল নির্মাণের কাজ চালিয়ে যান। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অভিযুক্ত মো. আব্দুল গফুর দাবি করেন, আমার নিজস্ব জমির সীমানায় বাড়ি নির্মাণ করব, তাই ইটের প্রাচীর দিচ্ছি। ওই রাস্তা দিয়ে কেবল শাহানাজই চলাচল করত।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, এসংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?