রিহ্যাবের এজিএমসহ সব বিরোধপূর্ণ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটির এজিএমসহ বিরোধীয় সব কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৩০ জুলাই রিহ্যাব সভাপতিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আশরাফুল সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। নোটিশে বলা হয়, রিহ্যাবের সহ-সভাপতি-১ মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাসের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রিহ্যাবের বিভিন্ন অনিয়ম ও সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠিত মোট ১২টি অভিযোগের বিষয়ে ৩০ জুলাই দুপুর ১২টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের (বাণিজ্য সংগঠন) সভাপতিত্বে তার অফিসকক্ষে (কক্ষ নং-১২৩, ভবন নং-৩, বাংলাদেশ সচিবালয়) এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আরও পড়ুন রিহ্যাব নির্বাচন আজ, ২৯ পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থী অভিযোগসমূহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধীয় বিষয়সমূহের

রিহ্যাবের এজিএমসহ সব বিরোধপূর্ণ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটির এজিএমসহ বিরোধীয় সব কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৩০ জুলাই রিহ্যাব সভাপতিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আশরাফুল সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, রিহ্যাবের সহ-সভাপতি-১ মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাসের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রিহ্যাবের বিভিন্ন অনিয়ম ও সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠিত মোট ১২টি অভিযোগের বিষয়ে ৩০ জুলাই দুপুর ১২টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের (বাণিজ্য সংগঠন) সভাপতিত্বে তার অফিসকক্ষে (কক্ষ নং-১২৩, ভবন নং-৩, বাংলাদেশ সচিবালয়) এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

অভিযোগসমূহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধীয় বিষয়সমূহের কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে রিহ্যাব সভাপতিকে নির্দেশনা দেওয়া করা হলো। রিহ্যাবের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ১২টি অভিযোগ-
১. বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই রিহ্যাব তহবিল থেকে ২ (দুই) কোটি টাকা ব্যয়।
২. রিহ্যাব ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি’ ও ‘রিহ্যাব কমিটি’ গঠনে অনিয়ম।
৩. এজিএম-এর স্থান ও তারিখ নির্ধারণ এবং উত্তরা রিহ্যাব সেন্টারের জমিতে রিহ্যাব ভবন উদ্বোধন।
৪. রিহ্যাব কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ ও চাকরিচ্যুতকরণ।
৫. রিহ্যাব অফিসের গোপনীয় তথ্য প্রকাশ।
৬. রিহ্যাব সামার ফেয়ার ২০২৬ আয়োজন।
৭. ক্রয় সংক্রান্ত ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি’ বিলুপ্তকরণ।
৮. সরকারি পর্যায়ে বৈঠক ও প্রতিনিধিত্বকরণ।
৯. সভাপতির পক্ষপাতমূলক আচরণ করে পরিচালকের সঙ্গে অসদাচরণ।
১০. মেম্বারশিপ ডেভেলপমেন্ট ‘স্ট্যান্ডিং কমিটিতে’ পরিচালকদের অন্তর্ভুক্ত না করা।
১১. সিনিয়র সহ-সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি-১ কে দায়িত্ব দেওয়া।
১২. পরিচালনা পর্ষদের সভা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ সংক্রান্ত।

নোটিশে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি ও কাগজপত্রাদিসহ যথাসময়ে শুনানিতে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ে অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাস জাগো নিউজকে বলেন, আমি অভিযোগ দিয়েছি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে তবে এখনও আনুষ্ঠানিক চিঠি পাইনি। আগামীকাল আমি ওমরাহ করতে যাবো। চিঠি না পাওয়া পর্যন্ত আমি মন্তব্য করবো না।

এ বিষয়ে কথা হয় রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল এর সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রিহ্যাবের এজিএমসহ ১২টি কার্যক্রম স্থগিত এবং ৩০ জুলাই শুনানিতে উপস্থিত হওয়ার বিষয়ে তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি পাননি। বিষয়টি তারা অনানুষ্ঠানিকভাবে জানতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, রিহ্যাবের ১২টি কার্যক্রমের প্রতিটি সিদ্ধান্ত পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনক্রমে নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তে কোনো অনিয়ম বা অবৈধতার সুযোগ নেই।

ড. আলী আফজালের দাবি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যে বর্তমান কমিটি যে পরিমাণ কাজ করেছে, আগের কমিটি দুই বছরেও তা করতে পারেনি। তাই এ ধরনের পদক্ষেপকে তারা রিহ্যাবের কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং কাজের গতি থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

তিনি আরও বলেন, আবাসন খাতের স্বার্থে সত্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে রিহ্যাবের কাছে প্রয়োজনীয় সব তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে সেগুলো ভাগ করে নিতে তারা প্রস্তুত।

ইএআর/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow