লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ চায় কনজুমার ফোরাম

খুচরা পর্যায়ে লবণের নির্ধারিত মূল্য অপরিবর্তিত থাকলেও পাইকারি পর্যায়ে বড় কোম্পানিগুলো দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভোক্তা অধিকারভিত্তিক সংগঠন কনজুমার ফোরাম (সিএফ)। সংগঠনটি বলেছে, এ পরিস্থিতিতে খুচরা বিক্রেতা, সাধারণ ভোক্তা ও লবণচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন মালেক এ দাবি জানান। আরও পড়ুন লবণ চাষে স্বল্পসুদে ঋণ বিতরণে সরকারের নানা উদ্যোগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বাজারে কয়েকটি ব্র্যান্ডের লবণের আধিপত্য রয়েছে। সম্প্রতি এসব কোম্পানি খুচরা মূল্য অপরিবর্তিত রেখে পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়িয়েছে।  কনজুমার ফোরামের দাবি, বাজারে মেগাশপগুলো খুচরা বিক্রেতাদের কাছে প্রতি কেজি লবণ ৪০ টাকায় বিক্রি করছে। ফলে সাধারণ মুদি দোকানিরাও একই দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। সংগঠনটি আরও জানায়, উৎপাদন মৌসুমে লবণচাষিরা এক বস্তা লবণ ১২০ থেকে ১৩০ টাকার বেশি দামে বিক্রি করতে পারেন না। একটি বস্তায় সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ কেজি লবণ থাকে। উৎপাদন খরচের তুলনায় কম দামে

লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ চায় কনজুমার ফোরাম

খুচরা পর্যায়ে লবণের নির্ধারিত মূল্য অপরিবর্তিত থাকলেও পাইকারি পর্যায়ে বড় কোম্পানিগুলো দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভোক্তা অধিকারভিত্তিক সংগঠন কনজুমার ফোরাম (সিএফ)।

সংগঠনটি বলেছে, এ পরিস্থিতিতে খুচরা বিক্রেতা, সাধারণ ভোক্তা ও লবণচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন মালেক এ দাবি জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বাজারে কয়েকটি ব্র্যান্ডের লবণের আধিপত্য রয়েছে। সম্প্রতি এসব কোম্পানি খুচরা মূল্য অপরিবর্তিত রেখে পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়িয়েছে। 

কনজুমার ফোরামের দাবি, বাজারে মেগাশপগুলো খুচরা বিক্রেতাদের কাছে প্রতি কেজি লবণ ৪০ টাকায় বিক্রি করছে। ফলে সাধারণ মুদি দোকানিরাও একই দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

সংগঠনটি আরও জানায়, উৎপাদন মৌসুমে লবণচাষিরা এক বস্তা লবণ ১২০ থেকে ১৩০ টাকার বেশি দামে বিক্রি করতে পারেন না। একটি বস্তায় সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ কেজি লবণ থাকে। উৎপাদন খরচের তুলনায় কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ায় লবণচাষিরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ও অনেকেই লবণচাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। অন্যদিকে স্থানীয় মহাজন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি লাভবান হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বড় কোম্পানিগুলো ভ্যাকুয়াম ও আয়োডিনযুক্ত লবণ আকর্ষণীয় মোড়কে বাজারজাত করে তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি করছে। এতে উৎপাদক, ভোক্তা ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ অবস্থায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কনজুমার ফোরাম।

একই সঙ্গে লবণচাষিদের স্বার্থ রক্ষা, বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, অযৌক্তিক মুনাফা নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজন হলে উৎপাদকদের প্রণোদনা দেওয়ারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

ইএইচটি/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow