লালমনিরহাটে ডিবির অভিযানে ৩টি তক্ষক উদ্ধার

লালমনিরহাটে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে তিনটি বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী তিনটি তক্ষক উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (০৮ মার্চ) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের চিনিপাড়া গ্রামের মুকুল আলীর বাড়ী থেকে প্রাণীগুলো উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডিবি পুলিশের একটি দল গতরাত (৭ মার্চ) ১২টার দিকে মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের চিনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ওই গ্রামের মৃত কাচুয়া আলীর ছেলে মোঃ মুকুল আলীর (৪৫) বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তার শয়নকক্ষ থেকে একটি জালের খাঁচায় বন্দি অবস্থায় তিনটি তক্ষক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত তক্ষকগুলের শরীরে সাদা ডোরাকাটা দাগ রয়েছে। প্রত্যেকটি তক্ষকের দৈর্ঘ্য আনুমানিক ১৩ ইঞ্চি। ধারণা করা হচ্ছে, পাচারের উদ্দেশ্যে এগুলোকে অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত তক্ষকগুলোর বাজারমূল্য কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে এলাকায় গুঞ্জন থাকলেও বনবিভাগের মতে, এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কেবল কুসংস্কার ও লোভে পড়ে এসব বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী নিধন ও পাচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে

লালমনিরহাটে ডিবির অভিযানে ৩টি তক্ষক উদ্ধার

লালমনিরহাটে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে তিনটি বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী তিনটি তক্ষক উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (০৮ মার্চ) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের চিনিপাড়া গ্রামের মুকুল আলীর বাড়ী থেকে প্রাণীগুলো উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডিবি পুলিশের একটি দল গতরাত (৭ মার্চ) ১২টার দিকে মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের চিনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ওই গ্রামের মৃত কাচুয়া আলীর ছেলে মোঃ মুকুল আলীর (৪৫) বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তার শয়নকক্ষ থেকে একটি জালের খাঁচায় বন্দি অবস্থায় তিনটি তক্ষক উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত তক্ষকগুলের শরীরে সাদা ডোরাকাটা দাগ রয়েছে। প্রত্যেকটি তক্ষকের দৈর্ঘ্য আনুমানিক ১৩ ইঞ্চি। ধারণা করা হচ্ছে, পাচারের উদ্দেশ্যে এগুলোকে অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছিল।

উদ্ধারকৃত তক্ষকগুলোর বাজারমূল্য কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে এলাকায় গুঞ্জন থাকলেও বনবিভাগের মতে, এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কেবল কুসংস্কার ও লোভে পড়ে এসব বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী নিধন ও পাচার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাদ আহমেদ বলেন, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ অনুযায়ী এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যেহেতু এগুলো সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী, তাই প্রাণীগুলোকে লালমনিরহাট জেলা বনবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow