লিবিয়ায় ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করলো দূতাবাস

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স কাজী আসিফ আহমেদের নেতৃত্বে রোববার (২৫ জানুয়ারি) পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরিদর্শনকালে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডিটেনশন সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বিক অবস্থা, চলমান আইনগত প্রক্রিয়া, মানবিক সুযোগ-সুবিধা এবং তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের সম্ভাব্য দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরে তিনি ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় অভিবাসীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরলে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি আশ্বস্ত করেন, ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দ্রুত ও নিরাপদভাবে দেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে দূতাবাস প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি তিনি বৈধ অভিবাসনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং অনিয়মিত অভিবাসনের ফলে সৃষ্ট আইনগত, আর্থিক ও মানবিক ঝুঁকিসমূহ সম্পর্কে অভিবাসীদের সচেতন করেন।

লিবিয়ায় ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করলো দূতাবাস

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স কাজী আসিফ আহমেদের নেতৃত্বে রোববার (২৫ জানুয়ারি) পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

পরিদর্শনকালে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডিটেনশন সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বিক অবস্থা, চলমান আইনগত প্রক্রিয়া, মানবিক সুযোগ-সুবিধা এবং তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের সম্ভাব্য দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

পরে তিনি ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় অভিবাসীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরলে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

তিনি আশ্বস্ত করেন, ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দ্রুত ও নিরাপদভাবে দেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে দূতাবাস প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি তিনি বৈধ অভিবাসনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং অনিয়মিত অভিবাসনের ফলে সৃষ্ট আইনগত, আর্থিক ও মানবিক ঝুঁকিসমূহ সম্পর্কে অভিবাসীদের সচেতন করেন। ভবিষ্যতে অনিয়মিত পথে বিদেশ গমন থেকে বিরত থাকার জন্যও তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সেখানে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিকের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য দেশীয় খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, যা তাদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, লিবিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে।

জেপিআই/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow