ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল ফুটবল ক্লাব লিভারপুল এফসির ‘অফিসিয়াল ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন পার্টনার’ হিসেবে মালদ্বীপকে তার অংশীদারত্ব ঘোষণা করেছে। ফলে লিভারপুল এফসি এবং মালদ্বীপ মার্কেটিং অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস করপোরেশন লিমিটেড পরস্পর সহযোগী ব্র্যান্ডেড হিসেবে কাজ করা সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গন্তব্যের মর্যাদাপূর্ণ খেতাব পাওয়া মালদ্বীপ পর্যটন খাতে আরেক ধাপ এগিয়ে পথচলা। লিভারপুল ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে অংশীদারত্বে পর্যটন প্রচারণা অভিযানের ঐতিহাসিক আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। লিভারপুল ফুটবল ক্লাব বনাম এভারটনের মধ্যকার ২৪৬তম মার্সিসাইড ডার্বিতে যোগদান করেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ছিলেন দেশটির পর্যটন ও পরিবেশমন্ত্রী থোরিক ইব্রাহিম; ক্রীড়া, ফিটনেস এবং বিনোদন মন্ত্রী আবদুল্লাহ রাফিউ; মালদ্বীপ বিপণন ও জনসংযোগ করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইব্রাহিম শিউরি; এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা। একই দিনের রাষ্ট্রপতি লিভারপুলের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এই অংশীদারত্বের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী প্রচারণার মাধ্যমে ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পাশাপাশি দর্শনার্থীদের আগমন বৃদ্ধি করা, বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি জোরদার করা এবং মালদ্বীপের জন্য যথেষ্ট অর্থনৈতিক সুবিধা তৈরি করা। মালদ্বীপ ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে বিশেষ আকর্ষণীয় আঙ্গিতে ডিজাইন করা হয়েছে।
এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে উচ্চ-প্রভাবশালী বহিরঙ্গন এবং ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা হয়। এই প্রচারণায় লন্ডনে ১০০টিরও বেশি সম্পূর্ণ ব্র্যান্ডেড ট্যাক্সির পাশাপাশি বাস, লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড, প্রধান বিমানবন্দর এবং বিজনেস-ক্লাস লাউঞ্জে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়েছে। যা সম্ভাব্য ভ্রমণকারীদের সর্বাধিক এক্সপোজার নিশ্চিত করে।
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে মালদ্বীপের আদলে সাজানো হলে। বিশ্ব পরিমন্ডলে টুরিস্ট ডেস্টিনেশন হিসেবে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশীয় পর্যটন খাতে আয়ের উৎস ত্বরান্বিত হবে মনে করেন প্রবাসীরা।