লেবাননে ইরানি প্রক্সিরা না থামলে আবারও হামলা হবে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, লেবাননে তাদের সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে অবিলম্বে ঝামেলা সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র আবারও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেবে এবং ইরানে হামলা চালাবে। রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি লেখেন, ইরানকে অবশ্যই লেবাননে তাদের উচ্চ বেতনভুক্ত প্রক্সিদের ঝামেলা সৃষ্টি করা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তারা যদি তা না করে, তাহলে আমরা ইরানকে আবারও খুব কঠোরভাবে আঘাত করবো; গত সপ্তাহের চেয়েও বেশি শক্তি দিয়ে। লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার নতুন পর্ব শুরু হওয়ার মধ্যে ট্রাম্প এই মন্তব্য করলেন। এর আগে ইরান অভিযোগ করেছিল, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের প্রথম শর্ত, সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ বাস্তবায়িত হয়নি। তেহরানের দাবি, ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি মানতে বাধ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ইস্যু এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়লে স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, লেবাননে তাদের সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে অবিলম্বে ঝামেলা সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র আবারও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেবে এবং ইরানে হামলা চালাবে।
রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি লেখেন, ইরানকে অবশ্যই লেবাননে তাদের উচ্চ বেতনভুক্ত প্রক্সিদের ঝামেলা সৃষ্টি করা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তারা যদি তা না করে, তাহলে আমরা ইরানকে আবারও খুব কঠোরভাবে আঘাত করবো; গত সপ্তাহের চেয়েও বেশি শক্তি দিয়ে।
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার নতুন পর্ব শুরু হওয়ার মধ্যে ট্রাম্প এই মন্তব্য করলেন।
এর আগে ইরান অভিযোগ করেছিল, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের প্রথম শর্ত, সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ বাস্তবায়িত হয়নি। তেহরানের দাবি, ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি মানতে বাধ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ইস্যু এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়লে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতিও হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সূত্র : আল জাজিরা
What's Your Reaction?