শনিবার সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
কিশোর-কিশোরীদের মাঠমুখী করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণসঞ্চার করতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালুর যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান সরকার। আগামী শনিবার সিলেটে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য কেবল প্রতিযোগিতা নয়, বরং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মেধা যাচাই করে তৃণমূলের প্রতিভাদের বিশ্বমানের অ্যাথলেট হিসেবে গড়ে তোলা। বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সাজানো এই কর্মসূচিতে রাখা হয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট। তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ খেলোয়াড় তুলে আনতে প্রতিযোগিতাটি পর্যায়ক্রমে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় স্তর পেরিয়ে ঢাকার চূড়ান্ত পর্বের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। সরকারের এই উদ্যোগে দেশজুড়ে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া পড়েছে। বুধবার দুপুর পর্যন্ত ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছে। যার মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন কিশোর এ
কিশোর-কিশোরীদের মাঠমুখী করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণসঞ্চার করতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালুর যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান সরকার। আগামী শনিবার সিলেটে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি।
এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য কেবল প্রতিযোগিতা নয়, বরং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মেধা যাচাই করে তৃণমূলের প্রতিভাদের বিশ্বমানের অ্যাথলেট হিসেবে গড়ে তোলা। বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সাজানো এই কর্মসূচিতে রাখা হয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট। তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ খেলোয়াড় তুলে আনতে প্রতিযোগিতাটি পর্যায়ক্রমে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় স্তর পেরিয়ে ঢাকার চূড়ান্ত পর্বের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে।
সরকারের এই উদ্যোগে দেশজুড়ে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া পড়েছে। বুধবার দুপুর পর্যন্ত ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছে। যার মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন কিশোর এবং ৪৪ হাজার ১৩৩ জন কিশোরী। রেজিস্ট্রেশনের তালিকায় সবচেয়ে বেশি ১৫ হাজার ৩২৪ জন সিলেট জেলার।
শনিবার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি তিনি ভার্চুয়ালি সারাদেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতে উপস্থিত হাজারো প্রতিযোগীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই নতুন যাত্রার শুভসূচনা করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রতিভাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় তিনটি বিশেষ প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিতদের বিকেএসপিতে ভর্তি এবং বিশেষ ক্রীড়া বৃত্তির আওতায় আনা হবে। এছাড়া ঢাকার ওপর চাপ কমাতে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য আঞ্চলিক বিকেএসপিগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।
বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং স্বজনপ্রীতি রুখতে মন্ত্রী নিজে একজন সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে মাঠ পর্যায়ে তদারকি করবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে আশ্বস্ত করেন। একইসঙ্গে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক মেডিক্যাল টিম নিয়োজিত থাকবে।
অতীতের পরিকল্পনাহীন অর্থ ব্যয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) এখন হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছে। আমি মন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রতিভা বাছাই তদারকি করব।’
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির সংস্কারের এক সাহসী প্রচেষ্টা। যদি সঠিকভাবে এই প্রতিভানদের পরিচর্যা করা যায তাহলে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
আরআই/আইএইচএস/
What's Your Reaction?