‘শহীদ জিয়ার খাল খননের উদ্যোগ আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে সম্প্রসারিত’
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুটি খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নের চিৎলার খাল এবং কিচক ইউনিয়নের ছাতিয়ানপাড়া এলাকা থেকে সাকোর বিল পর্যন্ত খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনার যে বৈপ্লবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, আজ তা বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ জনপদে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং কৃষকের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এ পুনঃখনন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দুপুর ১টায় প্রথমে বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নে এবং পরে বিকেল ৩টায় কিচক ইউনিয়নে এ খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়। প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুটি খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নের চিৎলার খাল এবং কিচক ইউনিয়নের ছাতিয়ানপাড়া এলাকা থেকে সাকোর বিল পর্যন্ত খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনার যে বৈপ্লবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, আজ তা বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ জনপদে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং কৃষকের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এ পুনঃখনন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দুপুর ১টায় প্রথমে বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নে এবং পরে বিকেল ৩টায় কিচক ইউনিয়নে এ খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, খাল দুটি দীর্ঘ দিন ভরাট হয়ে থাকায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা তৈরি হতো এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকটে পড়তে হতো। এ উদ্যোগের ফলে কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি চাষাবাদের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?