ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সশস্ত্র হামলায় ৩ পুলিশ সদস্য নিহত
ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশে সশস্ত্র হামলায় অন্তত তিনজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রদেশের জাহেদান শহরে একটি পুলিশ টহলদলের ওপর অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তিরা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন পুলিশ সদস্য নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে আহতদের মধ্যে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। ফলে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজন। সিস্তান-বালুচিস্তান প্রাদেশিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এখনো কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। উল্লেখ্য, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরেই অস্থির হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রায়ই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী, বিদ্রোহী বা চোরাকারবারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সহযোগীদের ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি নৌ অবরোধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, নতুন করে বোমা হামলা চালানোর পরিবর্তে ইরানের অর্থনীতি ও তেল
ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশে সশস্ত্র হামলায় অন্তত তিনজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রদেশের জাহেদান শহরে একটি পুলিশ টহলদলের ওপর অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তিরা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন পুলিশ সদস্য নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে আহতদের মধ্যে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। ফলে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজন।
সিস্তান-বালুচিস্তান প্রাদেশিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এখনো কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরেই অস্থির হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রায়ই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী, বিদ্রোহী বা চোরাকারবারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সহযোগীদের ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি নৌ অবরোধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, নতুন করে বোমা হামলা চালানোর পরিবর্তে ইরানের অর্থনীতি ও তেল রপ্তানির ওপর চাপ অব্যাহত রাখতেই তিনি আগ্রহী।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প মনে করেন পুনরায় যুদ্ধ শুরু করা বা অঞ্চল থেকে সরে আসার চেয়ে ইসলামিক রিপাবলিক ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ বজায় রাখাই কম ঝুঁকিপূর্ণ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউসে এক রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজনের সময় ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার তার মিশনে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস তার সঙ্গে একমত। ট্রাম্প বলেন, আমরা সামরিকভাবে ওই প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছি। চার্লস আমার চেয়েও বেশি একমত, আমরা কখনোই ওই প্রতিপক্ষকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেবো না।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে, তবে তেহরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরে করা হবে, যা আলোচনায় একটি বড় অচলাবস্থার কারণ হয়ে আছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম
What's Your Reaction?