শাহ আলী মাজারে হামলায় ঢালাওভাবে বিরোধীদলের ওপর দোষারোপ করা হচ্ছে

রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী মাজারে হামলার ঘটনায় ঢালাওভাবে বিরোধীদলের ওপর দোষারোপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই এলাকার (ঢাকা-১৪ আসন) সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। এ ঘটনায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতের এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, এ হামলার ঘটনার ফুটেজে যাদের কোনো অবস্থান নেই, এমন লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশেষ করে ওই এলাকায় আমার নির্বাচনে যারা সক্রিয় ছিলেন, তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। রোববার (১৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য আরমান এসব কথা বলেন। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকার আমলে টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই সেল) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষী মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে আজ জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তাকে জেরা শেষ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে এ মামলায় তার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন ব্যারিস্টার আরমান। ‘আপনার নির্বাচনি এলাকায় শাহ আলীর মাজারে হামলা

শাহ আলী মাজারে হামলায় ঢালাওভাবে বিরোধীদলের ওপর দোষারোপ করা হচ্ছে

রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী মাজারে হামলার ঘটনায় ঢালাওভাবে বিরোধীদলের ওপর দোষারোপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই এলাকার (ঢাকা-১৪ আসন) সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। এ ঘটনায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতের এই সংসদ সদস্য।

তিনি বলেন, এ হামলার ঘটনার ফুটেজে যাদের কোনো অবস্থান নেই, এমন লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশেষ করে ওই এলাকায় আমার নির্বাচনে যারা সক্রিয় ছিলেন, তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

রোববার (১৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য আরমান এসব কথা বলেন।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকার আমলে টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই সেল) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষী মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে আজ জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তাকে জেরা শেষ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে এ মামলায় তার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন ব্যারিস্টার আরমান।

‘আপনার নির্বাচনি এলাকায় শাহ আলীর মাজারে হামলা হয়েছে কিন্তু আপনারা বক্তব্য দিয়েছেন সেখানে জামায়াতে ইসলামীর কেউ ছিল না। আবার পুলিশ বলেছে, সেখানে জামায়াতের কর্মীরা বা শিবিরের কর্মীরা ছিলেন। এ অবস্থায় আপনার ব্যাখ্যা কী?’

এমন প্রশ্নের জবাবে মাজারে হামলার নিন্দা জানিয়ে সংসদ সদস্য আরমান বলেন, সরকারের দায়িত্ব সব ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ জায়গায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন ভিডিও অ্যাভিডেন্স বা সুনির্দিষ্ট অ্যাভিডেন্স–সহকারে যদি কাউকে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে তাদের কোনো বক্তব্য নেই। কিন্তু তারা দেখছেন, ঢালাওভাবে বিরোধী দলের ওপর দোষারোপ করা হচ্ছে। এই ঢালাওভাবে বিরোধী দলের ওপর দোষারোপ তো পতিত স্বৈরাচার আর পতিত ফ্যাসিস্টদের ঐতিহ্য।

মীর আহমাদ বিন কাসেম বলেন, ‘আমি সুনির্দিষ্টভাবে বলতে চাই, যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তার মধ্যে দুজন গত নির্বাচনে বিরোধী দলের নির্বাচন করেছিল। ভিডিও ফুটেজে তাদের কোনো অস্তিত্ব নেই, কিন্তু তারপরও তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।’

শাহ আলী মাজারে হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত চান উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্টভাবে তার দলকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন তিনি।

এফএইচ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow