শিক্ষাছুটি শেষে ফেরেননি বাকৃবির ১২ শিক্ষক, পাওনা ৪ কোটি টাকা

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে বিদেশে শিক্ষাছুটিতে গিয়ে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১২ জন শিক্ষক এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে, এসব শিক্ষকের কাছ থেকে বর্তমানে ৪ কোটি ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৮০১ টাকা ক্ষতিপূরণ পাওনা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও চলমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্থাপন শাখার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাকৃবির বিভিন্ন অনুষদের ১২০ জন শিক্ষক বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য শিক্ষাছুটিতে রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশে যাওয়ার আগে প্রত্যেক শিক্ষককে একটি বন্ডে স্বাক্ষর করতে হয়। ওই বন্ডে উল্লেখ থাকে, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় বন্ডের শর্ত অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ১২ জন শিক্ষক দেশে ফিরে যোগদান না করায় তাদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলছে, অন্যদের কাছে নোটিশ ও তাগিদপত্র পাঠানো হয়েছে। আরও পড়ুন রাবি সাবেক উপাচার্য / সত্যিকারের তাকওয়া না থাকলে ধর্মভিত্

শিক্ষাছুটি শেষে ফেরেননি বাকৃবির ১২ শিক্ষক, পাওনা ৪ কোটি টাকা

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে বিদেশে শিক্ষাছুটিতে গিয়ে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১২ জন শিক্ষক এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে, এসব শিক্ষকের কাছ থেকে বর্তমানে ৪ কোটি ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৮০১ টাকা ক্ষতিপূরণ পাওনা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও চলমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্থাপন শাখার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাকৃবির বিভিন্ন অনুষদের ১২০ জন শিক্ষক বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য শিক্ষাছুটিতে রয়েছেন।

নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশে যাওয়ার আগে প্রত্যেক শিক্ষককে একটি বন্ডে স্বাক্ষর করতে হয়। ওই বন্ডে উল্লেখ থাকে, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় বন্ডের শর্ত অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ১২ জন শিক্ষক দেশে ফিরে যোগদান না করায় তাদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলছে, অন্যদের কাছে নোটিশ ও তাগিদপত্র পাঠানো হয়েছে।

নোটিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে কৃষি অনুষদের ২ জন, ভেটেরিনারি অনুষদের ১ জন, পশুপালন অনুষদের ৩ জন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ১ জন এবং কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ৫ জন রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এসব শিক্ষকের কাছ থেকে মোট ৪ কোটি ৫১ লাখ ৬৭ হাজার ১৭৫ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ লাখ ৯১ হাজার ৩৭৪ টাকা আদায় হয়েছে। ফলে বর্তমানে বকেয়া রয়েছে ৪ কোটি ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৮০১ টাকা।

সংস্থাপন শাখার অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. নাজমুল হক বলেন, পিএইচডি গবেষণার জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর এবং পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য দুই বছর শিক্ষাছুটি দেওয়া হয়। মেয়াদ শেষে প্রথমে যোগদানের জন্য চিঠি দেওয়া হয়, পরে অতিরিক্ত ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়। এরপরও কেউ যোগদান না করলে বন্ড অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের নোটিশ এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষকরা বন্ডে স্বাক্ষর করেই শিক্ষাছুটিতে যান। তাই নির্ধারিত সময় শেষে তাদের ফিরে আসা বাধ্যতামূলক। কেউ চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে পাওনা পরিশোধ করলে সমস্যা নেই। তবে শর্ত ভঙ্গ করে বিদেশে অবস্থান করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং নিয়মের বাইরে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow