শিক্ষামন্ত্রী ক্ষমা চাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হারিয়েছেন: সামান্তা শারমিন

আজ (মঙ্গলবার) সংসদ অধিবেশনে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা পেছানো কেন হলো না এমন প্রশ্নের পরে শিক্ষামন্ত্রী সম্পূর্ণ ধোঁয়াশাপূর্ণ জবাব দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হারিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি। পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লেখেন, আজ সংসদ অধিবেশনে ফিজিক্স পরীক্ষা পেছানো কেন হলো না এমন প্রশ্নের পরে শিক্ষামন্ত্রী সম্পূর্ণ ধোঁয়াশাপূর্ণ জবাব দিয়েছেন। এমনকি উনি ওনার কটু মন্তব্য ও গাফিলতির জন্য শিক্ষার্থীবৃন্দ ও জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার এই সুবর্ণ সুযোগ হারিয়েছেন এবং নানান আমলাতান্ত্রিকতার দোহাই দেখিয়েছেন। আরও পড়ুন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে আছি, সংস্কার এখন সময়ের দাবি: পাটওয়ারী সামান্তা শারমিন লেখেন, অভ্যুত্থানের পরে আমরা অন্তত এটুকু সংস্কৃতি আদায় করতে চাই যেখানে মন্ত্রী-এমপিরা গাফিলতি হলে স্বীকারোক্তিসহ ক্ষমা চাইবে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের উদাহরণ টেনে তিনি লেখেন, কিছুদিন আগেই ইন্ডিয়ার বিচারপতি ছাত্রদের ‘ককরোচ’ সম

শিক্ষামন্ত্রী ক্ষমা চাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হারিয়েছেন: সামান্তা শারমিন

আজ (মঙ্গলবার) সংসদ অধিবেশনে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা পেছানো কেন হলো না এমন প্রশ্নের পরে শিক্ষামন্ত্রী সম্পূর্ণ ধোঁয়াশাপূর্ণ জবাব দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি।

পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লেখেন, আজ সংসদ অধিবেশনে ফিজিক্স পরীক্ষা পেছানো কেন হলো না এমন প্রশ্নের পরে শিক্ষামন্ত্রী সম্পূর্ণ ধোঁয়াশাপূর্ণ জবাব দিয়েছেন। এমনকি উনি ওনার কটু মন্তব্য ও গাফিলতির জন্য শিক্ষার্থীবৃন্দ ও জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার এই সুবর্ণ সুযোগ হারিয়েছেন এবং নানান আমলাতান্ত্রিকতার দোহাই দেখিয়েছেন।

সামান্তা শারমিন লেখেন, অভ্যুত্থানের পরে আমরা অন্তত এটুকু সংস্কৃতি আদায় করতে চাই যেখানে মন্ত্রী-এমপিরা গাফিলতি হলে স্বীকারোক্তিসহ ক্ষমা চাইবে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের উদাহরণ টেনে তিনি লেখেন, কিছুদিন আগেই ইন্ডিয়ার বিচারপতি ছাত্রদের ‘ককরোচ’ সম্বোধন করে তীব্র বিরোধিতা ও সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন। ফলে তার পদত্যাগ বা অপসারণের দাবিকে সামনে রেখে একটি নতুন দলও আত্মপ্রকাশ করেছে। সেই ঘটনাকে দেখে প্রকৃত শিক্ষা নেননি বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী।

পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, একটি ব্যাচের এমন পরিস্থিতি কিরূপ ডমিনো এফেক্ট (domino effect) তৈরি করতে পারে সেটা না বুঝলে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রাখার জন্য উনি যোগ্যতম ব্যক্তি নন। ছাত্রদের ক্ষোভের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রইলো।

এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow