শিক্ষার্থী হত্যার বিচার চেয়ে সড়ক অবরোধ, থানা ঘেরাও
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ছাত্রাবাসে মেহেদি হাসান (১৪) নামে এক ছাত্র হত্যার বিচার চেয়ে সড়ক অবরোধসহ থানা ঘেরাও করেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৩টায় বিক্ষোভ নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো থানা ঘেরাও করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় নিহতের বাবা জিয়া উদ্দিন অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দেন। এদিন দুপুর ২টায় হত্যার বিচার চেয়ে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ গেট থেকে বিক্ষোভ নিয়ে শহরের চৌরাস্তা এলাকায় মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় শহরের চৌরাস্তায় অবরোধ করায় লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ ও রামগঞ্জ-চাটখিল সড়কে ঘণ্টাব্যাপী যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে শিক্ষার্থীরা রামগঞ্জ থানা ঘেরাও করে। পুলিশ জানায়, ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল মেহেদি। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে ছাত্রাবাস থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মেহেদিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে রাতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান গেট ও অভ্যর্থনা কক্ষ ভাঙচুরসহ মরদেহ নিয়ে রামগঞ্জ থানা ঘেরাও করে এলাকাবাসী। মেহেদির মা শারমিন আক্তার বলেন, ‘আইফোন হারিয়ে যাওয়
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ছাত্রাবাসে মেহেদি হাসান (১৪) নামে এক ছাত্র হত্যার বিচার চেয়ে সড়ক অবরোধসহ থানা ঘেরাও করেছে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৩টায় বিক্ষোভ নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো থানা ঘেরাও করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় নিহতের বাবা জিয়া উদ্দিন অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দেন।
এদিন দুপুর ২টায় হত্যার বিচার চেয়ে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ গেট থেকে বিক্ষোভ নিয়ে শহরের চৌরাস্তা এলাকায় মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় শহরের চৌরাস্তায় অবরোধ করায় লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ ও রামগঞ্জ-চাটখিল সড়কে ঘণ্টাব্যাপী যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে শিক্ষার্থীরা রামগঞ্জ থানা ঘেরাও করে।
পুলিশ জানায়, ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল মেহেদি। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে ছাত্রাবাস থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মেহেদিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে রাতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান গেট ও অভ্যর্থনা কক্ষ ভাঙচুরসহ মরদেহ নিয়ে রামগঞ্জ থানা ঘেরাও করে এলাকাবাসী।
মেহেদির মা শারমিন আক্তার বলেন, ‘আইফোন হারিয়ে যাওয়ায় আমার ছেলেসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এতে ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
নিহত মেহেদির বাবা জিয়া উদ্দিন জিয়া বলেন, ‘এজাহার জমা দিতে সময়ক্ষেপণ হয়েছে। পুলিশ আশ্বস্ত করেছে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনবে।’
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, নিহত শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে এজাহার দিয়েছেন। মামলা করা হবে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে কাজ চলছে।
কাজল কায়েস/এএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?