শিশুকে যৌন নিপীড়ন, ১০ বছর পর অভিযুক্তের যাবজ্জীবন

কক্সবাজারে এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এসময় ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরের পর শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পিপি ছলিমুল মোস্তফা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত এনাম উল্লাহ (৪৩) রামুর জোয়ারিয়ানালার নন্দাখালীর মুরাপাড়ার অলি আহম্মদের ছেলে। তিনি এলাকায় পাঁচ মিশালি পণ্যের দোকান করতেন। ২০১৬ সালের ১৫ মে দায়ের করা যৌন নিপীড়নের মামলায় ১০ বছর পর রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছলিমুল মোস্তফা জানান, ২০১৬ সালের ১৫ মে বেলা ১১টার দিকে ভিকটিম বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে এনাম উল্লাহর দোকানে বিস্কিট কিনতে যায়। এসময় অভিযুক্ত ভিকটিমকে টেনে দোকানের পেছনের রুমে নিয়ে যৌন নিপীড়ন চালান। ভিকটিমের চিৎকারে পথচারীয়া এগিয়ে এলে এনাম দোকান ফেলে পালিয়ে যান। ভিকটিমের বাবা সেদিনই এনাম উল্লাহকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১) ধারার অভিযোগ এনে এজাহার দায়ের করেন। তিনি আরও জানান, ত

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, ১০ বছর পর অভিযুক্তের যাবজ্জীবন

কক্সবাজারে এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এসময় ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরের পর শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পিপি ছলিমুল মোস্তফা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত এনাম উল্লাহ (৪৩) রামুর জোয়ারিয়ানালার নন্দাখালীর মুরাপাড়ার অলি আহম্মদের ছেলে। তিনি এলাকায় পাঁচ মিশালি পণ্যের দোকান করতেন। ২০১৬ সালের ১৫ মে দায়ের করা যৌন নিপীড়নের মামলায় ১০ বছর পর রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছলিমুল মোস্তফা জানান, ২০১৬ সালের ১৫ মে বেলা ১১টার দিকে ভিকটিম বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে এনাম উল্লাহর দোকানে বিস্কিট কিনতে যায়। এসময় অভিযুক্ত ভিকটিমকে টেনে দোকানের পেছনের রুমে নিয়ে যৌন নিপীড়ন চালান। ভিকটিমের চিৎকারে পথচারীয়া এগিয়ে এলে এনাম দোকান ফেলে পালিয়ে যান। ভিকটিমের বাবা সেদিনই এনাম উল্লাহকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১) ধারার অভিযোগ এনে এজাহার দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আসামি এনামের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হলে বিচারক রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটরের উপস্থিতেতে মোট ১১ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের সত্যতা পান। এরপর সোমবার বিচারক মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় প্রচারের সময় আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। সাজা পরোয়ানা মূলে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আসামিপক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন মো. কাশেম আলী। তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে উল্লেখ করেন। তবে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে খুবই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow