শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি ১ সেপ্টেম্বর
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি আবারও পিছিয়েছে। সব আসামির উপস্থিতি নিশ্চিত না হওয়ায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর নতুন করে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে কয়েকজন আসামি এ মামলায় জামিনে থাকলেও অন্য মামলায় কারাগারে থাকায় তাদের আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নির্ধারিত দিনে অভিযোগ গঠনের শুনানি সম্পন্ন করা যায়নি। ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার কয়েকজন আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও অন্য মামলায় গ্রেফতার থাকায় তারা বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাদের এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো ও আদালতে হাজিরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদন করা হয়। আরও পড়ুন চোখে-মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি: ট্রা
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি আবারও পিছিয়েছে।
সব আসামির উপস্থিতি নিশ্চিত না হওয়ায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর নতুন করে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে কয়েকজন আসামি এ মামলায় জামিনে থাকলেও অন্য মামলায় কারাগারে থাকায় তাদের আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নির্ধারিত দিনে অভিযোগ গঠনের শুনানি সম্পন্ন করা যায়নি।
ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মামলার কয়েকজন আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও অন্য মামলায় গ্রেফতার থাকায় তারা বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাদের এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো ও আদালতে হাজিরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদন করা হয়।
পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, অভিযোগ গঠনের সময় আসামিদের উপস্থিতি প্রয়োজন হওয়ায় শুনানি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে আদালত আগামী ১ সেপ্টেম্বর পরবর্তী অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন নির্ধারণ করেন। ওই দিন সংশ্লিষ্ট সব আসামিকে আদালতে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলায় কারাগারে থাকা সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হয়। তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, মামলাটির অভিযোগ গঠনের জন্য তারিখ নির্ধারিত থাকলেও সব আসামি উপস্থিত না থাকায় শুনানি হয়নি।
তিনি বলেন, কয়েকজন আসামি এ মামলায় জামিনে থাকলেও অন্য মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যুর আবেদন করেছেন। পরে আদালত আগামী ১ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।
আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি আরও বলেন, পলক দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রয়েছেন এবং তার চিকিৎসার বিষয়ে আগে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত চিকিৎসার অনুমতি দিলেও এখন পর্যন্ত তিনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগে গত ২৬ জুলাই একই মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। সে সময়ও আসামি সাবেক কাউন্সিলর ফোরকান হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা সম্ভব না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর শুনানি পিছিয়ে ১৩ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ট্রাকচালক মো. হোসেন। তিনি গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফেরার পথে হামলার শিকার হন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ওই বছরের ৩১ আগস্ট নিহতের মা রীনা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
আগামী ১ সেপ্টেম্বর সব আসামির উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এমডিএএ/এমআরএম
What's Your Reaction?
