শ্যোন অ্যারেস্টের অপব্যবহার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১৬৭ (এ) ধারার অধীনে শ্যোন অ্যারেস্ট পদ্ধতির ‘অপব্যবহার’ বন্ধে কার্যকর নির্দেশিকা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) বিবাদী করে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠানো হয়। আরও পড়ুন দেড় বছর কারাগারে থাকা ছাত্রলীগ নেতাকে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখালো পুলিশ ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট এবং তিনজন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার, মো. মাকসুদুর রহমান ও মারুফ হাসান তমালের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব নোটিশটি পাঠান। নোটিশ পাওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়েরসহ অন্যান্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ আমল থেকেই জামিনকে রাজনৈতিক উদ্দে
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১৬৭ (এ) ধারার অধীনে শ্যোন অ্যারেস্ট পদ্ধতির ‘অপব্যবহার’ বন্ধে কার্যকর নির্দেশিকা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) বিবাদী করে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠানো হয়।
ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট এবং তিনজন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার, মো. মাকসুদুর রহমান ও মারুফ হাসান তমালের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব নোটিশটি পাঠান।
নোটিশ পাওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়েরসহ অন্যান্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ আমল থেকেই জামিনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার নজির রয়েছে। পাকিস্তান আমল পেরিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশেও বিভিন্ন সময়ে একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। অথচ আইনের সাধারণ নীতি হলো, জামিনই হবে স্বাভাবিক নিয়ম।
কিন্তু বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, একজন ব্যক্তি একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আবার হেফাজতে রাখছে।
ফলে আদালতের দেওয়া জামিনের কার্যকারিতা নষ্ট হচ্ছে এবং বিচারপ্রার্থীদের সংবিধান-স্বীকৃত মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে কার্যবিধিতে ১৬৭ (এ) ধারা সংযোজন করা হয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, অন্য কোনো মামলায় এরই মধ্যে হেফাজতে থাকা একজন ব্যক্তিকে নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন তখনই ম্যাজিস্ট্রেট অনুমোদন করতে পারবেন, যখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কেস ডায়েরির অনুলিপিসহ তার সামনে হাজির করা হবে। তাকে নিজের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে এবং আবেদনটি যথাযথ ভিত্তি সম্পন্ন বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হবে।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধানের ৩২, ৩৩, ৩৫ ও ৩৬ অনুচ্ছেদে ব্যক্তিস্বাধীনতা, গ্রেফতার ও আটক থেকে আইনি সুরক্ষা, ন্যায্য বিচার এবং চলাফেরার স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
এফএইচ/এমএমকে
What's Your Reaction?


