শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান পড়ে ২ শিক্ষার্থী আহত
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আহতরা হলেন, গোপালনগর গ্রামের সালাউদ্দিনের ছেলে সামি (০৭) এবং একই এলাকার খায়ের খানের মেয়ে নাফিজা নূর (৮)। তারা উভয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার অন্য দিনের মতো স্বাভাবিকভাবেই শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছিল। শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ একটি সিলিং ফ্যান খুলে নিচে পড়ে যায়। এ সময় নিচে থাকা দুই শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়। এতে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে শিক্ষকরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। শিক্ষকদের ও হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সামির মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং তার মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে নাফিজা নূরের বাম চোখের পাশে আঘাত লাগে। তার চোখের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা মেড
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।
আহতরা হলেন, গোপালনগর গ্রামের সালাউদ্দিনের ছেলে সামি (০৭) এবং একই এলাকার খায়ের খানের মেয়ে নাফিজা নূর (৮)। তারা উভয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার অন্য দিনের মতো স্বাভাবিকভাবেই শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছিল। শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ একটি সিলিং ফ্যান খুলে নিচে পড়ে যায়। এ সময় নিচে থাকা দুই শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়। এতে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে শিক্ষকরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
শিক্ষকদের ও হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সামির মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং তার মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে নাফিজা নূরের বাম চোখের পাশে আঘাত লাগে। তার চোখের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন, সব শ্রেণিতে অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিকভাবে ক্লাস চলছিল। হঠাৎ অস্বাভাবিক শব্দ ও শিক্ষার্থীদের চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি দ্বিতীয় শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত শিক্ষার্থী নাফিজা নূরের মা ও ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাজমা আক্তার বলেন, আমি অন্য শ্রেণিতে ক্লাস নিছিলাম। খবর পেয়ে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যান পড়ে আমার মেয়েসহ আরও এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আমার মেয়ে চোখে গুরুতর আহত পাওয়ায় তাকে চিকিৎসকের পরামর্শে কুমিল্লা মেডিকেলে আনা হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দা হালিমা পারভীন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সংশ্লিষ্টদের বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. উম্মে সালমা মৌ বলেন, শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান পড়ে আহত দুই শিক্ষার্থীকে আনা হলে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর মধ্যে একজনকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে এবং অপরজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?