সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলের মধুপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম ইলিয়াছ এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের মৃত মুকছেদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম শফি এবং একই এলাকার ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সামছুল হক সামছু। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার কটার বাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুর রহিম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২২ জুন জামালপুর সদর উপজেলার এক নারীকে টাঙ্গাইলের মধুপুরে নিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ঘটনার চার দিন পর ২৬ জুন মধুপুর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তার আদালতে তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমরাও খান দী

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলের মধুপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম ইলিয়াছ এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের মৃত মুকছেদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম শফি এবং একই এলাকার ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সামছুল হক সামছু। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার কটার বাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুর রহিম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২২ জুন জামালপুর সদর উপজেলার এক নারীকে টাঙ্গাইলের মধুপুরে নিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ঘটনার চার দিন পর ২৬ জুন মধুপুর থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তার আদালতে তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমরাও খান দীপু বলেন, দুজনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এরমধ্যে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow