সংসদে বসে লোডশেডিং পাওয়া যাবে না, জনগণের কাছে যেতে হবে: হাসনাত

সংসদে বসে লোডশেডিং পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, জনগণের সমস্যা বুঝতে হবে, জনগণের কাছে যেতে হবে। রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই সংসদে বসে, এসি রুমে বসে, এসি গাড়িতে চড়ে, মন্ত্রণালয়ের এসিতে বসে, বাসায় ২৪ ঘণ্টা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না। এজন্য আমরা যখন সংসদে দাঁড়াই তখন জনগণের সমস্যা অনুধাবন করতে পারি না। তিনি বলেন, এই সংসদে বসে লোডশেডিং পাওয়া যাবে না। এই সংসদে বসে জনগণের সমস্যা পাওয়া যাবে না। সংসদে যারা বসে আছি, আমরা দেশের মধ্যে অন্যতম সুবিধাভোগী। জনগণের কাছে যেতে হবে, জনগণের সমস্যাগুলো বুঝতে হবে। তাদের সমস্যাগুলো আমাদের নিরসন করতে হবে। আরও পড়ুন‌‘তীর্থের কাকের মতো চেয়ে থাকি কখন বিদ্যুৎ আসে’ঢাকায় ১-২ ঘণ্টা হলেও গ্রামে এখন ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং, সংসদে রুমিন ফারহানা এনসিপির এই নেতা বলেন, আবার বিভাজনের রাজনীতি শুরু হয়েছে, তবে সেখানে বিএনপি সুবিধা পাবে না, জামায়াত সুবিধা পাবে না, এনসিপি সুবিধা পাবে না। পরাজিত শক্তি সুবিধাভোগী হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা আশাহত হই, যখন দ

সংসদে বসে লোডশেডিং পাওয়া যাবে না, জনগণের কাছে যেতে হবে: হাসনাত

সংসদে বসে লোডশেডিং পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, জনগণের সমস্যা বুঝতে হবে, জনগণের কাছে যেতে হবে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই সংসদে বসে, এসি রুমে বসে, এসি গাড়িতে চড়ে, মন্ত্রণালয়ের এসিতে বসে, বাসায় ২৪ ঘণ্টা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না। এজন্য আমরা যখন সংসদে দাঁড়াই তখন জনগণের সমস্যা অনুধাবন করতে পারি না।

তিনি বলেন, এই সংসদে বসে লোডশেডিং পাওয়া যাবে না। এই সংসদে বসে জনগণের সমস্যা পাওয়া যাবে না। সংসদে যারা বসে আছি, আমরা দেশের মধ্যে অন্যতম সুবিধাভোগী। জনগণের কাছে যেতে হবে, জনগণের সমস্যাগুলো বুঝতে হবে। তাদের সমস্যাগুলো আমাদের নিরসন করতে হবে।

আরও পড়ুন
‌‘তীর্থের কাকের মতো চেয়ে থাকি কখন বিদ্যুৎ আসে’
ঢাকায় ১-২ ঘণ্টা হলেও গ্রামে এখন ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং, সংসদে রুমিন ফারহানা

এনসিপির এই নেতা বলেন, আবার বিভাজনের রাজনীতি শুরু হয়েছে, তবে সেখানে বিএনপি সুবিধা পাবে না, জামায়াত সুবিধা পাবে না, এনসিপি সুবিধা পাবে না। পরাজিত শক্তি সুবিধাভোগী হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশাহত হই, যখন দেখি ট্যাগিং দেওয়া হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। আমরা আবারও আগের জায়গায় ফিরে যাচ্ছি। মতপ্রকাশের জন্য বাসা থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে, আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চাই। আমরা শুধু মত নয়, আমরা দ্বিমত প্রকাশ করতে চাই। কিন্তু আমাদের মতপ্রকাশে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লা-৪ আসনের এই এমপি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের গেস্টরুম-গণরুমের কালচার গড়ে উঠছে। ক্ষমতাসীনরা তাদের সন্তানদের বিদেশে রেখে নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে। মধ্যবিত্তদের সন্তানদের রাজনীতিতে ব্যবহার করে ক্ষমতালোভীরা। এসব সন্তানের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। আমরা এই পরিস্থিতির অবসান চাই।

এমওএস/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow