সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত কেশবপুর গড়তে চাই : আবুল হোসেন আজাদ

যশোর-৬ কেশবপুর আসনে ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ বলেন, আপনাদের ভোটের মাধ্যমে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যদি আমি নির্বাচিত হই তাহলে আগামীর কেশবপুর হবে শান্তির কেশবপুর, উন্নয়নের কেশবপুর, স্বস্তির কেশবপুর।  সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কেশবপুর শহরের পাবলিক ময়দানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আবুল হোসেন আজাদ বলেন, আপনারা আমাকে নির্বাচিত করলে আমি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ও ঘের দখল মুক্ত কেশবপুর গড়তে চাই। ১২ ফেব্রুয়ারি যদি আমি নির্বাচিত হই তাহলে আগামীর কেশবপুর হবে শান্তির কেশবপুর, উন্নয়নের কেশবপুর, স্বস্তির কেশবপুর।  কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ।  এছাড়াও জনসভায় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দুপুরের পর থেকে মিছিল সহকারে কেশবপুর পাবলিক ময়দানে উ

সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত কেশবপুর গড়তে চাই : আবুল হোসেন আজাদ

যশোর-৬ কেশবপুর আসনে ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ বলেন, আপনাদের ভোটের মাধ্যমে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যদি আমি নির্বাচিত হই তাহলে আগামীর কেশবপুর হবে শান্তির কেশবপুর, উন্নয়নের কেশবপুর, স্বস্তির কেশবপুর। 

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কেশবপুর শহরের পাবলিক ময়দানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আবুল হোসেন আজাদ বলেন, আপনারা আমাকে নির্বাচিত করলে আমি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ও ঘের দখল মুক্ত কেশবপুর গড়তে চাই। ১২ ফেব্রুয়ারি যদি আমি নির্বাচিত হই তাহলে আগামীর কেশবপুর হবে শান্তির কেশবপুর, উন্নয়নের কেশবপুর, স্বস্তির কেশবপুর। 

কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। 

এছাড়াও জনসভায় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দুপুরের পর থেকে মিছিল সহকারে কেশবপুর পাবলিক ময়দানে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সমর্থকরা উপস্থিত হতে থাকেন। জনসভা শুরুর আগেই মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow