সমর্থকরা আটকে রাখলেন প্রার্থীকে, ভিডিও কলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে তাকে বাড়িতে আটকে রাখেন তারই কর্মী-সমর্থকরা। এ পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
জানা গেছে, দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে সুলতানুল ইসলাম তারেক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। প্রাথমিক যাচাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও আপিলে তা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
মঙ্গলবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন সকাল থেকে তার কর্মী-সমর্থকরা নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকার বাসভবনে অবস্থান নেন। তিনি যাতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন, সে উদ্দেশ্যে তাকে বাড়িতে ঘিরে রাখা হয়।
বেলা ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত কর্মী-সমর্থকদের ঘেরাওয়ের মধ্যে ছিলেন সুলতানুল ইসলাম তারেক। বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্দেশে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটকে দেওয়া হয়। সময় গড়িয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি ছোট ভাই সাইফুল ইসলামের মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহা
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে তাকে বাড়িতে আটকে রাখেন তারই কর্মী-সমর্থকরা। এ পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
জানা গেছে, দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে সুলতানুল ইসলাম তারেক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। প্রাথমিক যাচাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও আপিলে তা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
মঙ্গলবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন সকাল থেকে তার কর্মী-সমর্থকরা নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকার বাসভবনে অবস্থান নেন। তিনি যাতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন, সে উদ্দেশ্যে তাকে বাড়িতে ঘিরে রাখা হয়।
বেলা ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত কর্মী-সমর্থকদের ঘেরাওয়ের মধ্যে ছিলেন সুলতানুল ইসলাম তারেক। বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্দেশে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটকে দেওয়া হয়। সময় গড়িয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি ছোট ভাই সাইফুল ইসলামের মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন পাঠান এবং ভিডিও কলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় তিনি জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে এবং দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
সুলতানুল ইসলাম তারেক বলেন, কর্মী-সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হলেও তিনি দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। যারা এতদিন তাকে সমর্থন দিয়েছেন, ভবিষ্যতেও তারা পাশে থাকবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।