সরছে ইসরায়েলি দখলদাররা, প্রবেশ করছে লেবাননের সেনাবাহিনী

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের জাওতার আল-গারবিয়েহ এলাকা থেকে সরে যাচ্ছে। প্রায় একই সময় সেখানে মোতায়েন শুরু করেছে লেবাননের সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।  লেবাননের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ নাগরিকদের শহরটিতে না যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে মোতায়েন করা সেনা সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধও জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, জাওতার আল-গারবিয়েহসহ দক্ষিণ লেবাননের তিনটি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি বাস্তবায়ন করা হবে। অন্য দুটি এলাকা হলো ফ্রুন ও স্রিফা।  চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে দখল করা অবস্থানগুলো থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল। এরপর সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করবে লেবাননের সেনাবাহিনী এবং হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া তদারকি করবে। তবে স্থানীয় কিছু বাসিন্দা এ

সরছে ইসরায়েলি দখলদাররা, প্রবেশ করছে লেবাননের সেনাবাহিনী

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের জাওতার আল-গারবিয়েহ এলাকা থেকে সরে যাচ্ছে। প্রায় একই সময় সেখানে মোতায়েন শুরু করেছে লেবাননের সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

লেবাননের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ নাগরিকদের শহরটিতে না যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে মোতায়েন করা সেনা সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধও জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, জাওতার আল-গারবিয়েহসহ দক্ষিণ লেবাননের তিনটি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি বাস্তবায়ন করা হবে। অন্য দুটি এলাকা হলো ফ্রুন ও স্রিফা। 

চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে দখল করা অবস্থানগুলো থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল। এরপর সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করবে লেবাননের সেনাবাহিনী এবং হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া তদারকি করবে।

তবে স্থানীয় কিছু বাসিন্দা এই পরিকল্পনায় ফ্রুন ও স্রিফাকে অন্তর্ভুক্ত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, এসব গ্রাম কখনোই ইসরায়েলি বাহিনীর দখলে ছিল না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow