সাইকেল চালানো শিখিয়েই আয় করলেন ৪৭ লাখ টাকা

চীনের এক তরুণ সাইকেল চালানো শিখিয়ে মাত্র দুই বছরে আয় করেছেন প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ইউয়ান (প্রায় ৩৯ হাজার মার্কিন ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ৪৭ লাখ টাকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এ উদ্যোগ সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লি নামের ওই তরুণ সাংহাই ইউনিভার্সিটি অব স্পোর্টসে ক্রীড়া শিক্ষায় স্নাতকোত্তর করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ে তিনি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের সাইকেল চালানো শেখান। দুই বছর ধরে তিনি প্রায় ৭০০ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, যাদের বয়স ৪-৬৮ বছরের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের প্রায় ৭০ শতাংশই নারী। লি জানান, কর্মস্থলে যাতায়াত সহজ করা বা অফিসের দলগত কার্যক্রমে অংশ নিতে অনেকেই দ্রুত সাইকেল চালানো শিখতে চান। এ চাহিদা থেকেই তিনি প্রশিক্ষণ শুরু করেন। তিনি ৮০০ ইউয়ান মূল্যের একটি প্রশিক্ষণ প্যাকেজ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীরা সাইকেল চালাতে পারবেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন। সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দুটি ক্লাসই যথেষ্ট হয়। লি বলেন, ক্রীড়া শিক্ষার ছাত্র হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা দ্রুত বুঝতে পারেন এবং ধৈর্য ধরে মানসিক ভয় কাটাতে সহায়তা করেন। আগামী জুনে তিন স্নাতকোত্তর শেষ করবেন।

সাইকেল চালানো শিখিয়েই আয় করলেন ৪৭ লাখ টাকা

চীনের এক তরুণ সাইকেল চালানো শিখিয়ে মাত্র দুই বছরে আয় করেছেন প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ইউয়ান (প্রায় ৩৯ হাজার মার্কিন ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ৪৭ লাখ টাকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এ উদ্যোগ সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

লি নামের ওই তরুণ সাংহাই ইউনিভার্সিটি অব স্পোর্টসে ক্রীড়া শিক্ষায় স্নাতকোত্তর করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ে তিনি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের সাইকেল চালানো শেখান। দুই বছর ধরে তিনি প্রায় ৭০০ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, যাদের বয়স ৪-৬৮ বছরের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের প্রায় ৭০ শতাংশই নারী।

লি জানান, কর্মস্থলে যাতায়াত সহজ করা বা অফিসের দলগত কার্যক্রমে অংশ নিতে অনেকেই দ্রুত সাইকেল চালানো শিখতে চান। এ চাহিদা থেকেই তিনি প্রশিক্ষণ শুরু করেন।

তিনি ৮০০ ইউয়ান মূল্যের একটি প্রশিক্ষণ প্যাকেজ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীরা সাইকেল চালাতে পারবেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন। সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দুটি ক্লাসই যথেষ্ট হয়।

লি বলেন, ক্রীড়া শিক্ষার ছাত্র হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা দ্রুত বুঝতে পারেন এবং ধৈর্য ধরে মানসিক ভয় কাটাতে সহায়তা করেন।

আগামী জুনে তিন স্নাতকোত্তর শেষ করবেন। এরপর তিনি সাংহাইসহ ঝেজিয়াং ও জিয়াংসু প্রদেশে তার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। তথ্যসূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow