সাজিদ হত্যা মামলায় শিক্ষার্থীদের থেকে যথাযথ সহযোগিতা পাইনি

দীর্ঘ ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যা মামলার তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামকে সরিয়ে নতুন করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইন্সপেক্টর মহব্বত হোসেনকে। সদস্য সাবেক তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, মামলার তদন্তে তিনি শিক্ষার্থীদের থেকে যথাযথ সহযোগিতা পাননি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে সাজিদের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিবর্তন আনা হয়। মামলার সদ্য সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘একটি মামলার তদন্তে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। সাজিদের মামলায় আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যথাযথ সহযোগিতা পাইনি। আমি একা একজন মানুষ, ছাত্ররা কেউ আমাদের সাহায্য করে না। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি। বাদী অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলায় হেড কোয়ার্টার থেকে নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’ তদন্তে কোনো তথ্য পাওয়া বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি ইন্সপেক্ট

সাজিদ হত্যা মামলায় শিক্ষার্থীদের থেকে যথাযথ সহযোগিতা পাইনি

দীর্ঘ ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যা মামলার তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামকে সরিয়ে নতুন করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইন্সপেক্টর মহব্বত হোসেনকে।

সদস্য সাবেক তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, মামলার তদন্তে তিনি শিক্ষার্থীদের থেকে যথাযথ সহযোগিতা পাননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে সাজিদের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিবর্তন আনা হয়।

মামলার সদ্য সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘একটি মামলার তদন্তে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। সাজিদের মামলায় আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যথাযথ সহযোগিতা পাইনি। আমি একা একজন মানুষ, ছাত্ররা কেউ আমাদের সাহায্য করে না। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি। বাদী অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলায় হেড কোয়ার্টার থেকে নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

তদন্তে কোনো তথ্য পাওয়া বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি ইন্সপেক্টর মহব্বত হোসেন বলেন, ‘নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে মামলার নথিপত্র এখনো হাতে পাইনি। নথিপত্র হাতে পাওয়ার পর সেগুলো পর্যালোচনা করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হবে। এরপর নতুনভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা যাবে।’

গত বছরের ১৭ জুলাই বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ৩ আগস্ট প্রকাশিত ভিসেরা রিপোর্টে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় সাজিদের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ইবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ইরফান উল্লাহ/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow